EFT সহজ করা হোক।

প্রকাশিত: ৬:২১ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৭, ২০২১

 EFT সহজ করা হোক।

ইএফটি বর্তমান সরকারের এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। বেসরকারি শিক্ষকদের বেতন বোনাস সহজে শিক্ষকদের হাতে পৌছানোর জন্য সরকার ইএফটির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে বেসরকারি শিক্ষকদের মাঝে যেমন আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে পাশাপাশি একটি  শংকাও কাজ করছে।
ইএফটির মাধ্যম বেতন দিতে এসএসসির সনদ, এনআইডি কার্ড ও এমপিও শীটে নামের বানান এক হওয়ার যে শর্ত লাগিয়ে দেয়া হয়েছে তাতে বিষয়টি কিছুটা জটিল আকার ধারণ করবে বলে আশংকা প্রকাশ করেছে বেসরকারি শিক্ষক সংগঠন গুলো। ইতিমধ্যে বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠন ইএফটি সহজ করার জন্য আবেদন জানিয়েছে। সাধারণ শিক্ষকরাও সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে ইএফটি সহজ করার দাবি জানিয়ে আসছে।
পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ইচ্ছায় হোক আর অনিচ্ছায় হোক এসএসসির সনদ, এনআইডি কার্ড ও এমপিও শীটে নামের বানানে ভুল হয়েছে হাজার হাজার শিক্ষকের। বিশেষ করে এনআইডি কার্ড যখন করা হয়েছে তখন নামের বানানের প্রতি অনেকেই গুরুত্ব দেননি। তাছাড়া অনেকের নাম এমপিও শীটে অনিচ্ছাকৃত ভাবে ভুল প্রিন্ট হয়েছে। নামের বানান বাংলা থেকে ইংরেজি বা ইংরেজি থেকে বাংলায় ভাষান্তরেও রয়েছে অনিচ্ছাকৃত ভুল। দেশব্যাপী হাজার হাজার শিক্ষকদের এসব বিষয় সংশোধন সময় সাপেক্ষ।
তাই ইএফটির সুবিধা থেকে বেসরকারি শিক্ষকরা যেন বঞ্চিত না হয় সেজন্য ইএফটি সহজ করা আবশ্যক। আপাতত এমপিও শীটে শিক্ষকদের নাম যেভাবে আছে সেভাবে ইএফটিতে শিক্ষকদের নাম অন্তর্ভুক্ত করে নামের ভুল সংশোধনের জন্য তাদেরকে পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে। সেটি না করা হলে লক্ষ লক্ষ শিক্ষক ইএফটি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে। ইএফটির কার্যক্রম ও বিঘ্নিত হবে। কোন প্রতিষ্ঠানের কিছু শিক্ষক ইএফটিতে বেতন পাবে আর কিছু শিক্ষক পাবে না৷ যারা পাবে না তাদের বিল আলাদা করাও একটা ঝামেলা হবে।
তাই, আপাততঃ এমপিও শীটে শিক্ষকদের নামের বানান যেভাবে আছে ইএফটিতে সেভাবেই অন্তর্ভুক্ত করে নামের বানান সংশোধনের জন্য পর্যাপ্ত সময় দেয়ার দাবি জানাচ্ছি।
বিষয়টি সম্পর্কে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
লেখক : মুহাম্মদ জসিম উদ্দীন, প্রভাষক,
জিরাইল আজিজিয়া ফাজিল মাদরাসা, বাকেরগঞ্জ, বরিশাল।

Categories