ফটিকছড়িতে ১৪ ইউপিতে নির্বাচন; জোরেশোরে চলছে প্রচারণা

প্রকাশিত: ৬:০৮ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৬, ২০২১

নুরুল কবির আরমান, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ
অনুষ্ঠিতব্য ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ১৪টি ইউপিতে। এসব স্থানে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা। পোস্টারে পোস্টারে ছেয়ে গেছে পুরো এলাকা। প্রতীক পাওয়ার পর থেকেই ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন প্রার্থীরা। তবে প্রচারণা চালাতে গিয়ে আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কর্মকর্তা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে নির্বাচনী প্রচারের পোস্টারে পোস্টারে ছেয়ে গেছে হাটবাজার ও গ্রামগঞ্জ। গত ২৭ অক্টোবর প্রতীক পাওয়ার পর থেকেই ব্যস্ত সময় পার করছেন ইউপি চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ও সাধারণ সদস্য প্রার্থীরা। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ঘুরছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। সন্ধ্যার পর করছেন পথসভা ও মিছিল।


প্রার্থীদের কর্মীরাও মানুষকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন। উপজেলার আবদুল্লাহপুর ও লেলাং ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে কোন প্রতিদ্বন্ধি না থাকায় সেখানে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে গেছেন। অন্য ১২টি ইউপিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীসহ ১২টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মোট প্রার্থী ৩৪ জন। সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১০৫ এবং সাধারণ সদস্য পদে ৪২১ জন প্রার্থী মাঠে লড়ছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩৭ জন করে প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১ নম্বর বাগান বাজার এবং ১০ নং সুন্দরপুর ইউনিয়নে।
উপজেলার নারায়ণহাট বাজারের ব্যবসায়ী মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের ইউনিয়নে নির্বাচনী প্রচার জমে উঠেছে। প্রার্থীদের পোস্টারে ছেয়ে গেছে বাজার। তারা ভোটারের ধারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছে।’
সমিতিরহাট ইউনিয়নের ছাদেকনগর গ্রামের রমজান আলী বলেন, ‘প্রার্থীরা একে অপরের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করবে আশা করছি। এভাবে নির্বাচনে জয়লাভ করলে নিজের মত সবার ভাল লাগবে।’
রোসাংগিরি ইউনিয়নের নৌকা প্রতিকের চেয়ারম্যান প্রার্থী এস এম শোয়েব আল ছালেহীন বলেন, ‘ভোটারদের আশা আখাঙ্খার প্রফিল ঘটবে এই নির্বাচনে। অতীতের মত এবারও নির্বাচিত হয়ে জনগনের সেবা করতে চাই।’
নারায়ণহাট ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু জাফর মাহমুদ বলেন, ‘আওয়ামী লীগের দু:সানের জবাব জনগণ ভোটের মাধ্যমে দেবে এই নির্বাচনে। এলাকার ভোটারেরা আশা করি আর ভুল করবে না।’
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘সব ইউনিয়নে নির্বাচনে প্রার্থীদের আচরণবিধি লক্ষ্য করা হচ্ছে। কেউ নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা করতে গিয়ে আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মহিনুল হাসান বলেন, ‘অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের যাবতীয় প্রস্তুতি পুরোদমে চলছে। আশা করছি একটি সুষ্টু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে পারব।’


Categories