৯ ই জুলাই এমপিও নীতিমালা কমিটির নিকট প্রস্তাবনা।

প্রকাশিত: ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ৭, ২০২০

এমপিও নীতিমালা সংশোধনী কমিটির কাছে বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের পক্ষ থেকে কয়েকটি প্রস্তাবনা যা নিম্নরূপ :-

♦১. বিনা সুবিধায় ৪% কর্তন বন্ধ করতে হবে।

♦২. ম্যানেজিং কমিটি প্রথার সংস্কার করতে হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক পাশ বাধ্যতামূলক করতে হবে।

♦৩. শিক্ষক সুরক্ষা আইন করতে হবে।কোথাও শিক্ষক লাঞ্ছিত হলে তদন্ত সাপেক্ষে তাৎক্ষণিক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।ম্যানেজিং কমিটির সকল সদস্যকেও অপরাধ সাব্যস্ত হলে বিচারের আওতায় আনতে হবে।

♦৪. ঐচ্ছিক বদলি বাস্তবায়ন করতে হবে।বদলীকরণ ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটির হাতে থাকতে পারবে না।সরাসরি থানা শিক্ষা অফিসারের অধীনে হতে হবে।

♦৫. মাধ্যমিক পর্যায়ে জয়েনিং থেকেই ১০ম গ্রেডে বেতন প্রদান করে নন-বিএড শিক্ষকদেরকে পরবর্তী ৫ বছরের মধ্যে বিএড সম্পন্ন করার বাধ্যতামূলত শর্ত জুড়ে দেওয়া যেতে পারে।

♦৬. স্থানীয় কমিটির মাধ্যমে সহ-প্রধান- প্রধান, সহ-সুপার-সুপার, উপাধ্যক্ষ- অধ্যক্ষ নিয়োগের প্রথা বাতিল করে পদোন্নতির ব্যবস্থা করা যেতে পারে। প্রশাসনিক পদের বেতনক্রম যারা অতিক্রম করবে তাদের সবাইকে উক্ত স্তরের প্রশাসনিক পদের আবেদনের জন্য যোগ্য বিবেচনা করা যেতে পারে।

♦৭. মাধ্যমিক বিদ্যালয়/ মাদরাসায় সহ-প্রধান এবং প্রধানদেরকে সরকারি মাধ্যমিকের সমান স্কেল দিতে হবে।

♦৮. বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা এবং উৎসব ভাতা সহ সকল ভাতা সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীদের মত প্রদান করতে হবে।

♦৯. একজন প্রভাষক ৮ বছর মেয়াদে সহকারী অধ্যাপক, ১২ বছর মেয়াদে সহযোগী অধ্যাপক এবং ১৬ বছর মেয়াদে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিতে হবে। সাথে সাথে ৫:২ এর মত অনূপাত প্রথা বাতিল করতে হবে। অফিস সহকারিদের বেতন ১০ বছরে বৃদ্ধি পাবে মাত্র ৪০০ টাকা যা অযৌক্তিক। তাদের বেতন কাঠামোর প্রতি বিশেষ নজরের জোর দাবী জানাচ্ছি।

♦১০. উচ্চতর স্কেল বকেয়া সহ প্রদান করতে হবে।ইনক্রিমেন্ট সরকারিদের ন্যায় ফিক্সেশনের ব্যবস্থা করতে হবে।অন্যথায় মেয়াদ পূর্তিতে আর কেই উচ্চতর গ্রেডের জন্য আবেদন করবেন না।

[আমার ব্যক্তিগত মতামত, দ্বিমত বা বিকল্প প্রস্তাব থাকলে তাও সমর্থন যোগ্য।]

এস,এম,ফরিদ উদ্দীন
সহকারী শিক্ষক (ব্যবসায় শিক্ষা)
মুগদাপাড়া কাজী জাফর আহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়।
ঢাকা ১২১৪।


Categories