সিরাজগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি। পানি প্রবাহিত হচ্ছে বিপদসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার উপরে।

প্রকাশিত: ৭:১৯ অপরাহ্ণ, জুন ৩০, ২০২০

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত। যমুনা পাড়ের মানুষের মাঝে খড়ার উপরে মরার গায়ের দেখা দিয়েছে। চরাঞ্চলের মানুষের কাজকর্ম না থাকায় অসহায়ের মতো দিন পার করছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৪ সেন্টিমিটার পানি বেড়ে বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার এবং কাজিপুরে ৬৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে যমুনার পানি উপচে প্রতিনিয়ত প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে যমুনার পানি সিরাজগঞ্জ হার্ডপয়েন্টে ১৩ দশমিক ৭৫ মিটার। যা বিপৎসীমার (১৩.৩৫ মিটার) ৪০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী এ কে এম রফিকুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, যমুনায় দ্রুতগতিতে পানি বাড়ছে। আরও কয়েকদিন পানি বাড়বে বলে জানিয়েছে জেলা বন্যা পুর্বাভাস সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
এদিকে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় যমুনা নদী অধ্যুষিত সিরাজগঞ্জ সদর, কাজীপুর, বেলকুচি, চৌহালী ও শাহজাদপুর উপজেলার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের বসতবাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছে বাসিন্দারা।
অনেকে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ বা উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিয়েছে। অনেকে আবার ঘরের মধ্যে মাচা বানিয়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গাদাগাদি করে অবস্থান করছে। জ্বালানি, খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে রয়েছে পানিবন্দি মানুষেরা।
ইতঃমধ্যে কাজিপুরের শুভগাছা ইউনিয়ন পরিষদের রাস্তার ব্রিজটি ভেংগে গেছে।
উপজেলা প্রশাসনের চেষ্টায় ও শেষ রক্ষা হয়নি। ফলে ব্যপক জনদুর্ভোগে পড়েছে এলাকার জনসাধারন।
সিরাজগঞ্জ জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুর রহিম বলেন, যমুনার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে চরাঞ্চলের নি¤œঞ্চলগুলো প্লাবিত হলেও এখনো বাড়ি-ঘরে পানি প্রবেশ করেনি। এ কারণে কেউ পানি বন্দি হয়নি। তারপরও ৩০০ মেট্রিক টন চাল ও নগদ পাঁচ লাখ টাকার বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।


Categories