সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ নীতিমালা সংশোধনী চুড়ান্তকরণের ২য় সভা

আরো কয়েক দফা সভা হবে; আলোচনা হয়নি অনুপাত, বদলি সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে

প্রকাশিত: ১০:১৬ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৫, ২০২০

এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো -২০১৮ এর সংশোধনী চূড়ান্তকরণের ভার্চুয়াল সভা আজ বুধবার (১৫ জুলাই) অনুষ্ঠিত হয়েছে। যদিও এমপিও নীতিমালার সংশোধনীর কোনও কিছুই চূড়ান্ত হয়নি আজকের সভায়। নীতিমালা ও জনবল কাঠামো চূড়ান্তকরণে আরও কয়েকদফা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যায়  অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

সভায় এমপিওভুক্তির যোগ্যতা হিসেবে বিভাগওয়ারী শিক্ষার্থী সংখ্যা কমানো, অতিরিক্ত শ্রেণি শাখা প্রেক্ষিতে শিক্ষক নিয়োগ ও অনুমোদিত বিষয়ের অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে নাকি অন্য বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে, এ ব্যাপারেও কোনো কিছু চূড়ান্ত হয়নি।

এদিকে এমপিও নীতিমালা সংশোধন কমিটির আহ্বায়ক ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোমিনুর রশিদ আমিন বলেন, এমপিও নীতিমালাটি অনেক বড়। এর যেসব অংশে আমরা সংশোধনী আনতে চাচ্ছি, সেগুলো নিয়ে আলোচনা করেছি। আজকের সভায় বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা হলেও কিছুই চূড়ান্ত হয়নি। এরপর আরও কয়েক দফা সভা করতে হবে।

কবে নাগাদ এমপিও নীতিমালা চূড়ান্ত করা হবে জানতে চাইলে অতিরিক্ত সচিব জানান, আমরা যথাসম্ভব দ্রুত কাজ করে যাচ্ছি। নীতিমালাটি অনেক বড়, অনেকগুলো দিক নিয়ে কাজ চলছে। তাই কিছুটা সময় লাগছে।

এরআগে গত সোমবার (১৩ জুলাই) প্রথম দফায় এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো সংশোধন চূড়ান্তকরণের সভা অনুষ্ঠিত হয়। ৭০ পৃষ্ঠার নীতিমালার খুব কম অংশ নিয়েই আলোচনা হয়েছে গত দুইদিনে।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের  দাবিদাওয়ার প্রেক্ষিতে বিদ্যমান নীতিমালা ও জনবল কাঠামো সংশোধনের উদ্যোগ নেয় সরকার। এ লক্ষ্যে গত বছর শিক্ষা মন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করে।  কমিটি গত জুন মাসে নীতিমালা সংশোধনের সুপারিশ প্রতিবেদন তৈরি করে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির কাছে জমা দেয়।

গত  বছরের ১২ নভেম্বর বেসরকারি স্কুল ও কলেজের এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো সংশোধনে ১০ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।  মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি মাধ্যমিক শাখার অতিরিক্ত সচিব মোমিনুর রশিদকে কমিটির আহ্বায়ক করা হয়। কমিটিতে ননএমপিও শিক্ষক নেতারাও সদস্য হিসেবে ছিলেন।  এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংস্কারের সুপারিশ করতে বলা হয়েছিল এ কমিটিকে। এরপর এ  লক্ষ্যে পাঁচটি সভা করে কমিটি।

পত ৪ ডিসেম্বর এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো সংশোধনে গঠিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয় । এরপর  যথাক্রমে  ১২ ডিসেম্বর, ২২ ডিসেম্বর, ৭ জানুয়ারি  ১১ মার্চ আরো ৪টি সভা অনুষ্টিত হয়। সভাগুলোর আলোচনা নিয়েই এমপিও নীতিমালা সংশোধনের লিখিত সুপারিশ তৈরি করা হয়েছে বলে  জানিয়েছে  শিক্ষা মন্ত্রণালয় ।