সাংবাদিক সোহাগ দেওয়ান কে ফাঁসানো ও সরকারি স্ট্যাম্প জালিয়াতির সেই প্রতারক মনি’র জামিন নামঞ্জুর।

প্রকাশিত: ৬:৪২ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২১, ২০২১
মোঃ মিজানুর রহমান খুলনা প্রতিনিধি।

সাংবাদিক সোহাগ দেওয়ান কে ফাঁসানো ও সরকারি স্ট্যাম্প জালিয়াতির সেই প্রতারক মনি’র জামিন নামঞ্জুর।

সময়ের খবর পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক সাংবাদিক সোহাগ দেওয়ানকে ফাঁসানোর চেষ্টাকারী আলোচিত সেই প্রতারক ও সরকারি স্ট্যাম্প  জাল জালিয়াতির হোতা ফরিদা ইয়াসমিন মনি (৪২)’র জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছে আদালত। গতকাল সোমবার (২০ডি‌সেম্বর) খুলনার মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোঃ শ‌হিদুল ইসলাম শুনানী শে‌ষে এ আদেশ দেন। 

প্রতারক ফরিদা ইয়াসমিন মনি খুলনার সোনাডাঙ্গা থানাধিন করিম নগর মসজিদ এলাকার মৃত আব্দুল ওহাব খাঁনের মেয়ে।সে বসুপাড়া কবরখানা এলাকার টাওয়ার ওয়ালা গলির শহিদুল ইসলামের বাড়ির ৫তলায় ভাড়া থাকেন।২৪ নভেম্বর রাতে ওই বাড়ি থেকে প্রতারক চক্রের হোতা ফরিদা ইয়াসমিন মনিকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-৬ সদস্যরা।২৫নভেম্বর সদর থানা পুলিশ আদালতে  সোপর্দ করলে খুলনার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শাহীদুল ইসলাম আসামি মনিকেজেল হাজতে প্রেরণের আদেশ দেন। এর আগে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৩দফা জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে।

মামলার বিবরণী থেকে জানা গেছে, তিনশত টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প জালিয়াতি করে সাংবাদিক সোহাগ দেওয়ানের নামে একটি ভুয়া অঙ্গিকার নামা তৈরি করে এ প্রতারক চক্রটি।ওই অঙ্গিকারনামায় বলা হয়, ফরিদা ইয়াসমিন মনি নামের এক নারীর সন্তান উদ্ধারের কথা বলে সাংবাদিক সোহাগ দেওয়ান ৩লাখ ৭৭হাজার টাকা নিয়েছেন।এ অঙ্গিকারনামাটি ব্যবহার করে ওই চক্রটি সোহাগ দেওয়ানের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে নানা দপ্তরে অভিযোগ, মামলাসহ নানাভাবে হয়রানি করে। 

এরপর প্রাথমিকভাবে প্রমান মেলে তিনশত টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে তৈরি করা অঙ্গিকারনামাটি ২০১৮ সালের ৪জানুয়ারির তারিখে দেখানো হলেও সেটি আসলে ২০২০ সালের ১৪ অক্টোবর সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে বিক্রি হয়েছে।সহকারি নিয়ন্ত্রক(স্ট্যাম্প) প্রধান কার্যালয় ও পিরোজপুর জেলা প্রশাসকের ট্রেজারী শাখার লিখিত তথ্যমতে এ প্রাথমিক সত্যতা বেড়িয়ে আসে। 

এঘটনায় গত ১৫ নভেম্বর খুলনার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ওই প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে মামলা রেকর্ড করতে কেএমপি’র সদর থানাকে নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশ হাতে পেয়ে খুলনা সদর থানায় প্রতারক চক্রের প্রধান ফরিদা ইয়াসমিন মনিসহ ৫জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৩/৪জনের বিরুদ্ধে মামলা রেকর্ড করা হয়।দণ্ডবিধির ৪৬৭, ৪৬৮, ৩৮৫, ১০৯ ও ৫০৬ ধারায় গত ১৯ নভেম্বর মামলাটি রেকর্ড করে পুলিশ (নং-৩৪)


Categories