মেধাবী ছাত্রী তন্নি ক্যানসারে আক্রান্ত ; সহযোগীতার আবেদন

প্রকাশিত: ১১:৫৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ২২, ২০২০

এম এ রায়হান, যশোর।

যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়ন এর ঘোষপাড়ার তন্নি নামে ৭ম শ্রেণির স্কুল পড়ুয়া এক ছাত্রী দূরারোগ্য ব্যাধি ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার ক্যানসার হাসপাতালে চিকিৎসাধিন  আছে।

তন্নি খাতুন বাগআঁচড়া ঘোষপাড়ার রাজমিস্ত্রী শহিদুলের মেয়ে ও বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুলের সপ্তম শ্রেণীর মেধাবী একজন ছাত্রী। হঠাৎ একদিন স্কুলের বেঞ্চে তাঁর পায়ে আঘাত লাগে।সেই আঘাত যে তার জীবন জগতে আঘাত হানবে সেটা বুঝতে না পারায় বর্তমানে বড় ধরনের রোগ বাসা বেধেছে। আর সেই আঘাতে রক্ত জমাট বাধার কারনে আঘাতের স্থানটা এখন ক্যানসারে পরিনত হয়েছে।

এই মরনব্যাধি কান্সারের চিকিৎসা তার অসহায়  দরিদ্রতার পিতা শহিদুলের পক্ষে একেবারে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তন্নীর পিতা শহিদুল এতো দিন ধরে চেষ্টা করতে করতে বর্তমান বাংলাদেশ ক্যান্সার হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থার মধ্যে একটা জায়গায় সে নিয়ে যেতে পেরেছে।বর্তমানে তন্নী ঢাকা ক্যানসার হাসপালের ডাঃ সুজন হোসেনের তত্বাবধানে চিকিৎসাধীন আছেন। কিন্তু থাকলে কি হবে? বর্তমানে তাহার পিতা শহিদুলের পক্ষে মেয়েকে চিকিৎসা করানোটা একেবারে কষ্ট সাধ্য হয়ে পড়েছে।

তন্নিকে দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুজন হোসেন জানান, ৮টি কেমোর পাশাপাশি তার আঘাত প্রাপ্ত স্থলের হাড় কেটে নতুন হাড় লাগাতে হবে। কেমোসহ সেই হাড়টি কিনতে সর্বমোট ৮ লক্ষ টাকার মতো প্রয়োজন।এছাড়া তাকে দ্রুত অপারেশন না করাতে পারলে তন্নির অবস্থা আরো ভয়াবহ হতে পারে বলেও জানিয়েছেন ওই চিকিৎসক। কিন্তু অসহায় পিতা শহিদুলের রাজমিস্ত্রি কাজ করে সংসার চালানোয় হিমশিম খেতে হয় সেখানে এত টাকা এই সামান্য সময়ের মধ্যে জোগাড় করা তার পক্ষে একেবারেই অসম্ভব।
তাই তার অসহায় বাবা সমাজের স্বহৃদয়বান ও বৃত্তবান ব্যক্তিদের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করেছেন।