শিক্ষা জাতীয়করণ পুঁজিবাদের অন্তরায়।

প্রকাশিত: ৩:২৫ অপরাহ্ণ, জুলাই ৪, ২০২০

 

মো.সেলিম মিয়া,মুরাদনগর,কুমিল্ল।

একটি জাতিকে অজ্ঞতার অমানিশা থেকে জ্ঞানের চোখ খোলে আধুনিকতার চরম শিখরে পৌঁছে দেওয়ার একমাত্র সোপান হল শিক্ষা।অধিকাংশ লোকের উন্নয়নই হলো  দেশের উন্নয়ন আর এটা সম্ভব কেবল শিক্ষার মাধ্যমে এ জন্যই পুঁজিবাদীদের রক্তচক্ষু শিক্ষার দিকে! তারা দেশের উন্নয়ন চায়না তারা চায় দেশকে শোষণ করে নিজে একটা শোষিত শ্রেণির জন্ম দিতে। এ জন্য শিক্ষাকে উপেক্ষা ব্যতীত এ মিশনে সফলতা লাভ একেবারেই অসম্ভব। লোকের হাতে দেশের সমস্ত সম্পদ। কেউ বা রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে বা শিল্পপতি সেজে শ্রমিক শোষণের মাধ্যমে বিত্তের পাহাড় গড়ছে;অপরদিকে শোষিত অশিক্ষিত সাধারণ জনগণ দিন দিন চরম দারিদ্র সীমার  অতল গহ্বরে নিমজ্জিত হয়ে বাস্তুহারা হচ্ছে।সাধারণ জনগণ জাগ্রত হলে শোষণের স্টিমরোলার  চালানো দুষ্কর হবে,তাই পুঁজিবাদী সে শোষক শ্রেণির হাতে জিম্মি আজ শিক্ষা ব্যবস্থা।শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয় করণ হলে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের জেলে, কামার -কুমার  , চাষা- ভূষার, ছেলেরা সরকারি খরচে পড়ে শিড় উঁচু করে দাঁড়াবে, মেরুদন্ড সোজা হলে শোষণ আর চলবে না।আমজনতার অধিকার  হরণ করে আঙ্গুল ফোলে কলা গাছ হওয়ার দিনের সমাপ্তি  ঘটবে।শিক্ষার অগ্রগতি ঘটলে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে দুর্নীতি শূন্যের কোটায় চলে আসবে।দেশ  প্রযুক্তিগত  উন্নয়নের বিপ্লব ঘটিয়ে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা ইনকাম করলে তাদের এন- ৯৫ মাস্ক আমদানি বন্ধ হয়ে যাবে।চায়না টিকা বানালে আমাদের আগে দিবে এমন আশার বাণী না শুনে আমরা চায়না কে দিব – এভাবে দেশকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরণত করে আগামী প্রজন্মের জন্য সুন্দর দুর্নীতিমুক্ত আধুনিক উন্নত দেশ উপহার দিয়ে যাব এমন চিন্তা দেশের কর্তা ব্যক্তিদের নেই। শিক্ষার উন্নয়নের উপরে দেশের টেকসই উন্নয়ন নির্ভর করে।জনগণকে বোঝার পরিবর্তে সম্পদে পরণত করা যায়।   কিন্তু কী অদৃশ্য কারণে সরকার শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয় করণে উদাসীন তা বোধগম্য নয়।জাতীয়করণ করতে সরকারের অতিরিক্ত টাকা ও লাগবে না বরং আয় হবে যদি ভালোভাবে সম্পূর্ণ বিষয় ফেয়ারলি করা যায়।শিক্ষকদের বঞ্চিত করে,শিক্ষা ব্যবস্থাকে অচল করে আর যাই হোক দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়।সরকারের শিক্ষা খাতে নেক নজর পড়ুক  বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে উন্নয়নের রোল মডেল হোক সে প্রত্যাশাই করি।

 


Categories