রোহিঙ্গা নির্যাতন: বাংলাদেশে বিচারকাজ পরিচালনায় প্রস্তুত আইসিসি

প্রকাশিত: ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০

নিরাপত্তা অভিযানের নামে রাখাইন রাজ্যে  বসবাসকারী মুসলিম সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের উপর মিয়ানমারের চলমান নিপীড়ন বন্ধ করতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের হস্তক্ষেপ চেয়েছে বাংলাদেশ।

মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর নিপীড়নের  মুখে রাখাইনে অবস্থানরত বাদবাকি রোহিঙ্গারা আশ্রয় খোঁজে সীমান্ত পাড়ি দিচ্ছে দিতে পারে বলে বাংলাদেশ আশঙ্কা করছে । পরিকল্পিতভাবে নৃশংসতা  চালানোর কারণে দফায় দফায় প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। সর্বশেষ ২০১৭ সালে মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর জাতিগত নিধনযজ্ঞের মুখে সাত লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে এসেছে।

নিউইয়র্কের স্থায়ী মিশন থেকে সম্প্রতি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রেসিডেন্টের কাছে দেয়া এক চিঠিতে রাখাইনের চলমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের উদ্বেগের কথা তুলে ধরা হয়েছে। এতে যে কোন নিরাপত্তা অভিযানের সময় বেসামরিক মানুষের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য মিয়ানমারের দায়ী-দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিতে নিরাপত্তা পরিষদে প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে ।চিঠিতে রাখাইনের পরিস্থিতিকে আরো উত্তেজনাকর করা থেকে মিয়ানমারকে বিরত  রাখতে নিরাপত্তা পরিষদের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে।

এরপর বাংলাদেশ আদালত বসিয়ে রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিচার করার সুযোগ আছে বলে মতামত দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের রেজিস্ট্রি। আর স্থান হিসেবে বলা হয়েছে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প বা সেখানে অবস্থিত জাতিসংঘের কার্যালয়।

জানানো হয়,  এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ মতামত দেওয়া যাবে স্থানগুলো সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে। ক্যাম্প এলাকায় দুর্বল ইন্টারনেট ও ফোন সংযোগের কথা বল তুলে ধরা হয় মতামতে। বাংলাদেশ বিচার কাজ করতেন কিছু আনিনি বিষয় আছে যা সম্পন্ন করতে কয়েক মাস সময় লাগবে বলে উল্লেখ করা হয।

এছাড়া করো না পরিস্থিতি সহ বেশকিছু প্রতিবন্ধকতার কোথাও বলা হয়েছে। সব বিষয় বিবেচনা করে বাংলাদেশ বিচার কাজ চালাতে প্রস্তুত রয়েছে রেজিস্ট্রি। এছাড়া আইসিসি চাইলে বিষয়গুলো আরো গভীর পর্যবেক্ষণ করে মতামত দিতে পারবে বেজিষ্ট্রি।


Categories