রোববার প্রকাশ  হতে যাওয়া এইচএসসি ও সমমানের ফল জানা যাবে যেভাবে।

প্রকাশিত: ১২:১২ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২

রোববার প্রকাশ  হতে যাওয়া এইচএসসি ও সমমানের ফল জানা যাবে যেভাবে।

বোর্ডগুলোর সমন্বিত ওয়েবসাইট (www.educationboardresults.gov.bd) এ পরীক্ষার্থীর রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে এইচএসসির ফল পাওয়া যাবে।

এছাড়া এবারও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটের পাশাপাশি মোবাইল ফোন থেকে এসএমএস পাঠিয়েও পরীক্ষার ফল জানা যাবে।

বেলা ১২টা থেকে শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটে এবং এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানা যাবে। এছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেও সংগ্রহ করা যাবে ফল।

মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২১ লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। তাতে ফিরতি এসএমএসেই মিলবে ফল।

আলিমের ফল পেতে ALIM লিখে স্পেস দিয়ে Mad লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২১ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।

আর কারিগরি বোর্ডের ক্ষেত্রে HSC লিখে স্পেস দিয়ে Tec লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২১ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠালে ফিরতি এসএমএসে ফলাফল জানানো হবে।

রোববার সকাল ১১টায় গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২১ সালের উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ করবেন।

পরে সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সংবাদ সম্মেলনে ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

স্বাভাবিক সময়ে এপ্রিলে এ পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও তা শুরু হয় গত ২ ডিসেম্বর; সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে তিন বিষয়ে হয় পরীক্ষা।

২০২০ সালে দেশে কোভিড রোগী শনাক্তের আগে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হলেও এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া যায়নি।

পরে জেএসসি ও এসএসসির ফলের ভিত্তিতে ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ৩৭৭ জন শিক্ষার্থীর সবাইকে ‘অটোপাস’ দেওয়া হয়। জিপিএ-৫ পান এক লাখ ৬১ হাজার ৮০৭ জন।

তবে ২০২১ সালে পরীক্ষা ছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের পরের ধাপে পাঠাতে চায়নি সরকার। ফলে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের অপেক্ষায় আট মাস পিছিয়ে যায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা।

পরে উচ্চ মাধ্যমিকের এ পরীক্ষা এপ্রিলের পরিবর্তে শুরু হয় গত ২ ডিসেম্বর।

এবার ২ হাজার ৬২১টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ১৮৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৩ লাখ ৯৯ হাজার ৬৯০ জন পরীক্ষার্থী ছিল। এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১১ লাখ ৩৮ হাজার ১৭ জন। এদের মধ্যে দুই লাখ ৫৪ হাজার ৮৩০ জন বিজ্ঞান, ছয় লাখ ৫৬ হাজার ১৩২ জন মানবিক এবং দুই লাখ ২৭ হাজার ৫৫ জন বাণিজ্য বিভাগের।

এছাড়া এক লাখ ১৩ হাজার ১৪৪ জন মাদ্রাসা ও এক লাখ ৪৮ হাজার ৫০৩ জন কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের।

বিশেষ পরিস্থিতিতে এবার সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে গ্রুপভিত্তিক তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে ছয়টি পত্রে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সময় কমিয়ে আনা হয় দেড় ঘণ্টায়।

পরীক্ষা না নেওয়া হয়নি বাংলা ও ইংরেজির মতো আবশ্যিক বিষয়গুলোর; যেগুলোর মূল্যায়ন করা হবে জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে।

এর আগে মহামারীকালে নয় মাস পিছিয়ে গত ১৪ নভেম্বর শুরু হয় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। ৩০ ডিসেম্বর প্রকাশ হওয়া মাধ্যমিকের ফলে রেকর্ড ৯৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করে।


Categories