রায়পুরায় পঞ্চাশোর্ধ ব্যক্তির বিষপানে আত্মহত্যা

প্রকাশিত: ১০:১৯ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৬, ২০২০

এ.কে.এম সেলিম,রায়পুরা,নরসিংদীঃ
নরসিংদীর রায়পুরায় বিষ পান করে মো. ওসমান গণি (৫২) নামে পঞ্চাশোর্ধ এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন বলে জানায় তার স্বজনরা।

উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের দাইরের পাড়া গ্রামে বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।নিহত ওসমান গণির দুই ছেলে ও এক মেয়ে।তিনি পেশায় রং মিস্ত্রি ও কৃষক ছিলেন।তবে বিষ পানের কারণ সম্পর্কে কেউ কিছু বলতে পারেনি।

ওসমান গণির ছোট ভাই মো. জহির উদ্দিন জানায়, তারা ৪ ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় ওসমান গণি একা বাড়িতে থাকতেন।অন্য ৩ ভাইয়ের মধ্যে দুই ভাই ভৈরব ব্যবসা করেন আর এক ভাই প্রবাসী। ভাইয়ের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে ভৈরব থেকে এসেছেন। কি কারনে বড় ভাই আত্মহত্যা করেছেন তা তিনি জানেন না।

নিহতের স্বজন ও প্রতিবেশীরা জানান, ওসমান গণি ব্যক্তি হিসেবে ভাল মানুষ ছিলেন।নিজ জমিতে কাজ করে সকাল ৯ টায় বাড়ি ফিরেন।বাড়ি ফিরে কোন এক কারণে বিষ পান করেন ওসমান গণি।কিছুক্ষণ পর তার মধ্যে অস্বস্তি ভাব ও বিষক্রিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে তার স্ত্রীর চিৎকারে লোকজন ছুটে আসে।প্রথমে তাকে নিকটস্থ কিশোরগঞ্জের ভৈরব সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।কিন্তু রায়পুরা উপজেলার বাসিন্দা হওয়ায় তারা চিকিৎসা দিতে রাজি হয়নি বলে জানান নিহত ওসমান গণির ছেলে সোহাগ।ভৈরব সদর হাসপাতালের ডাক্তার গণি মিয়াকে রায়পুরা সদর হাসপাতালে নেওয়ার কথা বলে বিদায় করে দেন।পরবর্তীতে তাকে রায়পুরা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে নরসিংদী সদর হাসপাতালে রেফারড করে দেন।দুপুর সাড়ে ১২ টায় নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার পাকস্থলী থেকে বিষ বের করা হলে কিছুক্ষণ স্বভাবিক থাকলেও পরক্ষণেই তার মৃত্যু হয়।
এ ব্যাপারে মুছাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হোসেন ভূইয়া জানান, তিনি মৃত্যু সংবাদ শুনে নিহতের বাড়িতে এসেছেন। এটি একটি আত্মহত্যার ঘটনা বলেই জানান তিনি।স্থানীয় ইউপি সদস্য মে. জয়নাল আবেদীনের সাথে ফোনে কথা হলে তিনি রায়পুরা থানায় আছেন বলে জানান।তিনিও এ ঘটনাকে আত্মহত্যা বলেই অবহিত করেন ।