রায়পুরায় ঢাকাগামী ট্রেনের আসন সংখ্যা বৃদ্ধির দাবিতে মানববন্ধন।

প্রকাশিত: ৭:৪৭ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৮, ২০২১
এ.কে.এম সেলিম,নরসিংদী প্রতিনিধিঃ

রায়পুরায় ঢাকাগামী ট্রেনের আসন সংখ্যা বৃদ্ধির দাবিতে মানববন্ধন।

নরসিংদীর জেলার রায়পুরায় মেথিকান্দা রেলওয়ে ষ্টেশনে বিরতি নেওয়া ঢাকাগামী ট্রেন সমূহের আসন সংখ্যা বৃদ্ধির দাবিতে যাত্রী ও জনসাধারণের উদ্যোগে মানববন্ধন পালিত হয়েছে।
সোমবার ( ১৮ জানুয়ারী) দুপুরে মেথিকান্দা রেলস্টেশনের প্লাটফর্মে উপজেলা আওয়ামিলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আফজাল হোসাইনের সভাপতিত্বে মানববন্ধন অংশ গ্রহন করেন সর্বস্তরের জনগণ। কর্মসূচির সূচনা বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক ইফতেখার আহমেদ ভূইয়া ইতু।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন শ্রীনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম মেম্বার, নরসিংদী প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক বাবু নিবারন রায়,রায়পুরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম নূরউদ্দিন আহমেদ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক অর্থ সম্পাদক রেজাউল করিম টুটুল, বিশিষ্ট সমাজ সেবক মতিউর রহমান মতি, মো. নান্নু মিয়া, পৌরসভা ৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো.পিন্টু মিয়া, সমাজ সেবক আফরিনা আসাদ,মো. দিদারুল ইসলাম ও সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব মো. এরশাদ মিয়া মতিউর রহমান মতি, শাহাদাত হোসেন প্রমূখ।
উলেখ্য,নরসিংদী জেলার ২৪ টি ইউনিয়ন বৃহত আয়তনের জল,স্থল,রেলপথ নিয়ে সর্ববৃহৎ উপজেলা। উপজেলায় ৬ টি রেলস্টেশনের মধ্যে সদর উপজেলায় মেথিকান্দা রেলস্টেশন হওয়াই যাত্রী সংখ্যা অধিক হারে যাতায়াত করে থাকে। লোকাল ট্রেনের পাশাপাশি আন্তঃনগর এগারো সিন্ধুর, কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস , চট্টলা যাত্রাবিরতি করে থাকে।
বক্তারা বলেন, মেথিকান্দা থেকে প্রতিদিন আন্তঃনগর ট্রেনের প্রায় ৩০০ যাত্রী ঢাকার উদ্দেশ্যে অবস্থান করেন। যার বিপরীতে এগারো সিন্ধু প্রভাতির ১০ টি,চট্রলার ১৫ টি, কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেসে ৩০ টি আসন রয়েছে। আমাদের প্রতিনিয়ত আসন সংখ্যা নিয়ে বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে। মন্ত্রী বরাবর গন স্বাক্ষর করে সারকলিপি পাঠাবো। জনদূর্ভোগের কথা চিন্তা করে অচিরেই আসন সংখ্যা বৃদ্ধির দাবি করেন তারা। ছাড়াও আসন সংখ্যা বৃদ্ধি না হলে জনগন কঠোর আন্দোলনে যাবে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
মেথিকান্দা রেলস্টেশন মাস্টার মো হেলাল হোসেন ভূইয়া বলেন, ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রীদের চাপ বেশি হয়। এগারো সিন্ধু প্রভাতী ১০ সিটের বিপরীতে ২ শত যাত্রী থাকে। চট্টলার ১৫ আসনের বিপরীতে ৫০-৬০ জন, কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ৩০ টির বিপরীতে ৬০-৭০ জন যাত্রী।

Categories