“যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং চীন শব্দের চেয়েও পাঁচগুণ দ্রুতগতিতে উড়তে পারে এমন হাইপারসোনিক বিমান তৈরির চেষ্টা করছে!”

প্রকাশিত: ৩:২৯ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২০

যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং চীন শব্দের চেয়েও পাঁচগুণ দ্রুতগতিতে উড়তে পারে এমন হাইপারসোনিক বিমান তৈরির চেষ্টা করছে!

যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং চীন নিজেদের শক্তিমত্তার পাল্লা আরো ভারি করতে এবার শব্দের চেয়েও পাঁচগুণ দ্রুতগতিতে উড়তে পারে এমন হাইপারসোনিক বিমান তৈরির চেষ্টা করছে। প্রকৃতপক্ষে, বেসরকারি বিমান তৈরির কথা বললেও তারা জঙ্গীবিমান তৈরির লক্ষ্যেই এই মুহূর্তে গবেষণা চালাচ্ছে।

যে বিমানটি তৈরির চেষ্টা চলছে সেটি মাক-৫ বা প্রতি ঘণ্টায় ৬ হাজার ৪০০ কিলোমিটার পথ উড়তে পারবে। আর মাক-১ হলো গতিমাপক সংখ্যা। তার মানে হলো- ওই বিমানটি প্রতি ঘণ্টায় ১ হাজার ২৩৫ কিলোমিটার পথ উড়ে যেতে পারে।

এ বিষয়ে ব্রিটিশ কোম্পানি রিঅ্যাকশন ইঞ্জিনের যুক্তরাষ্ট্র শাখার প্রধান অ্যাডাম ডিসেল বলেন, তার চাকরি জীবনের একটা বড় অংশ কেটেছে দ্রুত গতিতে উড়তে পারে এমন সব বিমান তৈরি করে।

কোম্পানিটির লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে এমন একটি যাত্রীবাহী বিমান তৈরি করা, যেটি মাত্র চার ঘণ্টা সময়ের মধ্যে লন্ডন থেকে সিডনি পর্যন্ত যেতে পারবে। মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে লস অ্যাঞ্জেলস থেকে টোকিও যেতে পারবে।  এখন লন্ডন থেকে সিডনি যেতে সময় লাগে ২১ ঘণ্টারও বেশি।

তবে হাইপারসোনিক বিমান তৈরির বেশিরভাগ গবেষণা বেসরকারি বিমান নয়, বরং জঙ্গিবিমান তৈরির লক্ষ্যে বলে জানান অ্যাডাম ডিসেল।

বিবিসির খবরে বলা হয়, মাক-৫ গতিতে একটি বিমান উড়ে গেলে যে পরিমাণ তাপ তৈরি হবে তা সহ্য করতে পারে এমন উপকরণ তৈরি নিয়ে গবেষণা করছেন বিজ্ঞানীরা। পাশাপাশি এর সঙ্গে তাল মেলাতে পারে এমন প্রযুক্তিও তৈরির চেষ্টা করছেন তারা। উভয় হিসাব মিলে গেলেই পৃথিবীর ভূমণ্ডলের ভেতর দিয়ে শব্দের চেয়ে পাঁচগুণ গতিতে উড়ে যাওয়া সম্ভব। এমনটাই জানাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা।

ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান কার্নেগি এনডাউমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিসের পদার্থবিজ্ঞানী জেমস অ্যাকটন জানান, বর্তমানে হাইপারসোনিক অস্ত্র তৈরিতে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং চীন বিভিন্ন ধরনের নকশা নিয়ে কাজ করছে। সে জন্য তিনটি দেশই এই খাতে বিপুল সামরিক বরাদ্দ ব্যয় করছে। উৎস-newspaper24live.


Categories