যমুনার পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে টাংগাইলে যমুনা নদীর ভাঙ্গন শুরু

প্রকাশিত: ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ, জুন ২৮, ২০২০

আবু সামা, টাঙ্গাইল:

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধির ফলে ভাঙন দেখা দিয়েছে। গেল মাসখানেকের ভাঙনে ফসলি জমিসহ শতাধিক বসতবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। যদিও ভাঙনরোধে কার্যকর কোন উদ্যোগ নেয়নি টাঙ্গাইলের পানি উন্নয়ন বোর্ড।

শুক্রবার (২৬ জুন) সরেজমিনে উপজেলার এলাকায় গিয়ে দেখা বেলটিয়া, আলিপুর, বেড়িপটল,চর পৌলী গেল ৫ বছর ধরে যমুনা নদীতে অব্যাহত ভাঙনের কারণে ইতোমধ্যে অনেকের বসতভিটা হারাচ্ছে।

জানা গেছে, উপজেলার কালিহাতী যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধির ফলে বেশ কিছু এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনে ইতোমধ্যে ফসলি জমি ও বসতবাড়ি যমুনা গর্ভে চলে গেছে। আলিপুর,বেড়িপটল,চর পৌলী, সহ কয়েকটি এলাকায় এমন ভাঙন শুরু হয়েছে। তবে নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে কয়েকদিনের মধ্যে বন্যা হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

অন্যদিকে দূর্গাপুর ইউনিয়নের জনপদ হিসেবে খ্যাত আলিপুর,চর পৌলী ও ব্যাপকভাবে ভাঙন শুরু হয়েছে। কিন্তু ভাঙনরোধে কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। ভাঙনে কবলে বসতবাড়ি রয়েছে।

উপজেলার বেড়িপটলের গ্রামের জনগনের দাবি, বহু বছর ধরে এখানে বসবাস করছি। বাড়ি থেকে নদী এক কিলোমিটার দুরে ছিল। কয়েক বছর ধরে যমুনা নদীতে ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে নিজেদের বসতভিটার অর্ধেক নদী গর্ভে চলে গেছে।

কয়েকবছর ধরে অব্যাহতভাবে নিজেদেরসহ বাড়িসহ আশপাশের অনেকের বাড়ি ও ফসলি জমি নদী গর্ভে চলে গেছে। জনপ্রতিনিধিরা দলবল নিয়ে এসে দেখে যায় আর আশ্বাস দেয়। কিন্তু তাতে কোন ফলাফল আসে না। নদী শুধু ভেঙেই যাচ্ছে।

ইতোমধ্যে ভাঙনের কথা টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডই ঠিক করবেন তারা কোথায় কোথায় কাজ করবে।

ভাঙনরোধে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীকে অবহিত করা হয়েছে যাতে দ্রুত ভাঙনরোধে কাজের উদ্যোগ নেয়া হয়।

এবিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলামের একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।