মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় ভূমিহীন ও গৃহহীন ১১০ পরিবার পেল পাকা ঘর।

প্রকাশিত: ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ২৪, ২০২১

মোঃ দুদু মিয়া তানভীর,মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় ভূমিহীন ও গৃহহীন ১১০ পরিবার পেল পাকা ঘর।

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীন ১১০ পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার  পাকা ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে।
২৩ জানুয়ারি (শনিবার) সকাল সাড়ে ১০টায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বাস্তবায়নে ও কুলাউড়া উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপকারভোগীদের মধ্যে গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
শনিবার উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে কুলাউড়া ইউএনও এটিএম ফরহাদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে পাকা ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম সফি আহমদ সলমান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজরাতুন নাঈম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী মাও. ফজলুল হক খান সাহেদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেহা ফেরদৌস চৌধুরী পপি, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নুরুল হক, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মোমিন, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আজহারুল আলম, কুলাউড়া থানার ওসি বিনয় ভূষণ রায়, পিআইও মো. শিমুল আলী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রেনু, সাবেক সহ-সভাপতি নওয়াবজাদা আলী ওয়াজেদ খান বাবু, কুলাউড়া প্রেসক্লাব সম্পাদক খালেদ পারভেজ বখশ, যুক্তরাজ্যস্থ কমিউনিটি নেতা মোস্তফা আব্দুল মালিকসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, ইউপি চেয়ারম্যান, সাংবাদিক, শিক্ষকসহ উপকারভোগীরা।
অনুষ্ঠানে মুজিববর্ষ উপলক্ষে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির মাধ্যমে তালিকাভুক্ত ৮টি ইউনিয়নের সরকারের খাস জমিতে নির্মিত ১১০টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে ৫৪ পরিবারের মধ্যে ২ শতাংশ খাস ভূমির মালিকানার কাগজপত্রসহ পাকা গৃহ হস্তান্তর করা হয়।
কুলাউড়া ইউএনও এটিএম ফরহাদ চৌধুরী জানান, তালিকাভুক্ত অপর উপকারভোগীদের মধ্যে পরবর্তীতে ২ শতাংশ খাস ভূমির মালিকানার কাগজপত্রসহ পাকা গৃহ হস্তান্তর করা হবে।
তিনি আরও জানান, উপজেলার ৮ ইউনিয়নের মধ্যে সীমান্তবর্তী শরীফপুর ইউনিয়নে ৩০টি, পৃথিমপাশা ইউনিয়নে ৩৩টি, রাউৎগাঁও ইউনিয়নে ১২টি, হাজীপুর ইউনিয়নে ৮টি, জয়চন্ডী ইউনিয়নে ৫টি, কর্মধা ইউনিয়নে ৩টি, টিলাগাঁও ইউনিয়নে ১৫ এবং ভাটেরা ইউনিয়নে ৪টিসহ মোট ১১০টি ঘরের প্রত্যেকটি পাকা ঘর নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা।


Categories