মুজিব বর্ষ আর স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তী হতে পারে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দাবি আদায়ের টানিং পয়েন্ট

প্রকাশিত: ১:০১ অপরাহ্ণ, জুলাই ৫, ২০২০

মুজিব বর্ষ আর স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তী হতে পারে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দাবি আদায়ের টানিং পয়েন্ট জাতীয়করণ

বাঙালি জাতি বীরের জাতি, আর বাঙালি লড়াই করে তাদের ন্যায্য অধিকার আদায় করেছে। আর বাঙালি জাতিকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে, ন্যায়ের পক্ষে, স্বাধীনতা জন্য, নেতৃত্ব দিয়েছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। অথচ বঙ্গবন্ধু স্বাধীন দেশে ৪৯ বছর ধরে এমপিওভুক্ত শিক্ষাব্যবস্থার শিক্ষক কর্মচারী অার্থিক বৈষম্যের শিকার।

অথচ সরকারি- বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একই সিলেবাসে একই যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষকগণ পাঠদান করলেও অার্থিক সুবিধা ভিন্ন থাকা অনৈতিক। অার্থিক সকল বৈষম্য দূর করে mpoভুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণ করা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এরইমধ্যে একটানা বারো বছর ক্ষমতায় আছেন এবং এ মেয়াদে আরও তিন বছর ক্ষমতায় থাকবেন। আগামী মেয়াদেও বেসরকারী শিক্ষক কর্মচারী আপনাকে ক্ষমতায় দেখতে চায়।

তাহলে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ যে কোনো মূহুর্তে সরকারের একটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমেই করা যায়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের রিজার্ভ ফান্ডের অর্থ, সেশন ফি এর কিছু অংশ, পরীক্ষার ফি এর কিছু অংশ যদি নেয়া হয়, তাহলে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ সরকারের জন্য সময়ের ব্যাপার মাত্র। এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ খাত থেকে সরকার প্রতি বছর জাতীয় বাজেটে মোটা অংকের অর্থ উদ্ধৃত্ত করে উন্নয়ন খাতে খরচ করতে পারে।

এদিকে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ হলে গরীবসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ কম বেতনে তাদের সন্তানদেরকে সরকারি স্কুল-কলেজগুলোতে পড়াশোনা করানোর সুযোগ পাবে এবং পূর্ণ হবে ব্ঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয় ও হাসি ফুটবে দুঃখী মানুষের মুখে। তাছাড়া অনায়াসেই তখন মেধাবীরা আসবে শিক্ষকতায় এবং নিশ্চিত হবে বিশ্বমানের শিক্ষা।

আর তাই ২০২০ এবং ২০২১ দুটি সাল ই খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ২০১৯ সালকে সরকার মুজিব বর্ষ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন এবং ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করা হবে।

এই দুটি বছরকে টার্গেট করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিয়মতান্ত্রিক ভাবে জাতীয়করণের দাবি জানালে বঙ্গবন্ধু কন্যা হয়ত ৫লক্ষ শিক্ষকদের নিরাশ করবেননা।

ইতিমধ্যে বাবেশিকফো প্রথম ও শেষ দাবী একটাই, আর তা হলো জাতীয়করণ, পাশাপাশি আরও কিছু সংগঠন একই মত পোষণ করেছেন জাতীয়করণের জন্য। তাই আসুন বাকি সংগঠনগুলো সকল সংকীর্ণতা, জড়তা ভেঙ্গে আসুন সকলে মিলে জাতীয়করণের দাবীতে গণবিদারী গর্জন তুলে বাংলার আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে দিই। শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার জাতীয়করণ আদায়ের মাধ্যমে।

মো : তোফায়েল সরকার,
যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক, বাংলাদেশ বেসরকারী শিক্ষক কর্মচারী ফোরাম,(কেন্দ্রীয় কমিটি)।


Categories