মুজিববর্ষেই বেসরকারী শিক্ষকদের ১০০% ঈদ বোনাস ও জাতীয়করণের দাবি জানিয়েছে বাশিস(নজরুল)

প্রকাশিত: ৭:২৭ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ৭, ২০২০

এ.কে.এম সেলিমঃ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী মুজিব বর্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে চলতি বছরই বেসরকারী শিক্ষকদের শতভাগ ঈদ বোনাস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের জোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বাশিস)।৬ জুন সোমবার বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম রনি’র নেতৃত্বে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট এ দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য যে, ২০০৪ সাল থেকে ১৬ বছর যাবৎ বেসরকারি শিক্ষকরা ঈদ বোনাস পেয়ে আসছে মূল বেতনের ২৫%।একজন সহকারী শিক্ষকের বেতন স্কেল ১২,৫০০ টাকা। সে হিসেবে ঈদ বোনাস প্রাপ্য হয় মাত্র ৩,১২৫ টাকা।যা বর্তমান বাজারে হাস্যকর।অথচ একই যোগ্যতায় সরকারি স্কুলের শিক্ষকরা বোনাস পান মূল বেতনের সমপরিমাণ টাকা।মুজিব বর্ষে ঈদ আনন্দে শিক্ষকদের এই বৈষম্য দূর করার দাবি শিক্ষক সমাজের ।এক দেশে দুই নীতি চলতে পারে না।আরও আশ্চর্যের ব্যাপার হলো যেখানে মাসে বিদ্যুৎ বিল আসে হাজার টাকার উপরে সেখানে বেসরকারি শিক্ষকদের বাড়ি ভাড়া দেওয়া হয় মাত্র ১,০০০ টাকা এবং একজন ভাল মানের ডাক্তারের ফিস যেখানে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা সেখানে চিকিৎসা ভাতা দেওয়া হয় ৫০০ টাকা।সরকারি শিক্ষকদের মত সম যোগ্যতা থাকা সত্বেও শুধুমাত্র বে উপসর্গটার জন্য বেসরকারী শিক্ষকদের সাথে এ আচরণের অবসান এখন সময়ের দাবি।বিএ, এমএ পাশ করে একজন বেসরকারী শিক্ষক সাকুল্যে বেতন পান মাত্র ১৪,০০০ টাকা।তার থেকে আবার ১০% কর্তনও করা হয়।হাতে পাওয়া যায় মাত্র ১২,৭৫০ টাকা।অথচ সরকারি দপ্তরের ৮ম শ্রেণী পাশ একজন পিয়নের সাকুল্য বেতন প্রায় ২০,০০০ টাকা। শুধুমাত্র শিক্ষকদের জন্য নয় গোটা জাতির জন্য এটা লজ্জা হওয়া উচিত ।অথচ এ বিষয়ে কারও কোন মাথা ব্যথা নেই।

শিক্ষকদের দুর্দশা লাগব না করলে এ পেশায় মেধাবীরা আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। ফলে মানসম্মত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হবে শিক্ষার্থীরা।ধ্বংস হয়ে যাবে শিক্ষা ব্যবস্থা।তাই কালক্ষেপন না করে মুজিব বর্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে চলতি বছরই একযোগে সকল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের ঘোষণা দেওয়া হোক।