মিনি কক্সবাজার খ্যাত নাটোরের নলডাঙ্গায় স্বাস্থ্য বিধি লঙ্ঘন, ব্যাপক সংক্রমনের আশংকা

প্রকাশিত: ৯:৩১ পূর্বাহ্ণ, জুন ২৭, ২০২০

নলডাঙ্গা (নাটোর)প্রতিনিধি
মিনি কক্সবাজার হিসাবে বহুল পরিচিত নাটোরের নলডাঙ্গার “বিল হালতি’তে (হালতি বিল) বর্ষার আগমনের সাথে সাথে বরাবরের ন্যায় এবারও শুরু হয়ে গেছে প্রত্যন্ত এলাকা হতে আগত হাজারো মানুষের মিলনমেনা। এতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্য বিধি মারাত্মকভাবে লঙ্ঘন হচ্ছে। ফলে এলাকাবাসী ব্যাপকভাবে করোনাভাইরাস সংক্রমণের আশংকা প্রকাশ করছেন।

নাটোরের নলডাঙ্গার ঐতিহ্যবাহী বিশালাকার গভীর একটি বিলের নাম ‘বিল হালতি’। এই বিলটি নাটোরের শষ্যভান্ডার হিসাবেও খ্যাত। এই বিলের মাঝ দিয়ে পিপরুল ইউনিয়নের পাটুল গ্রাম থেকে খাজুরা ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত রয়েছে দীর্ঘ ৭ কিলোমিটার পাকা সড়ক।গ্রীষ্মকালে এই রাস্তায় সকল প্রকার যানবাহন চলাচল করলেও বর্ষাকালে বিশাল জলরাশিতে চলাচলের একমাত্র বাহন নৌকা।

বর্ষার আগমনের সাথে সাথে প্রতিদিন রাজশাহী বিভাগের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে পিকনিক প্রিয় ও ভ্রমণ পিপাসু হাজারো মানুষ এখানে জড়ো হয়। বারোনই নদীর পাদদেশে অবস্হিত পাটুল গ্রামের বটতলায় প্রস্তুত শতশত নৌকায় চরে উপভোগ করে বিল হালতির গভীর জলরাশীর উপচে পড়া বিশালাকার ঢেউ।
এবার এখনো বর্ষায় বিল হালতি ডুবেনি। কিন্তু করোনাবন্দী মানুষের তর যেনো আর সইছেনা। পর্যবেক্ষণে প্রতীয়মান হয় যে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে আগত বেশিরভাগ মানুষই নিরাপদ সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা বা মাস্ক পরিধান করার বিষয়টিকে তেমন একটা পাত্তা দিচ্ছে না।
এমতাবস্হায় নলডাঙ্গা উপজেলা ও নাটোরের জেলা প্রশাসন সজাগ না হলে বা প্রতিদিন হাজার হাজার বাধভাঙ্গা মানুষের আগমন প্রতিরোধ করা না হলে নলডাঙ্গা উপজেলাসহ নাটোর রাজশাহীর প্রত্যন্ত এলাকায় মারাত্মকভাবে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশংকা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।