“মন মাতানো গন্ধরাজ গন্ধে সেরা “

প্রকাশিত: ১:৪১ অপরাহ্ণ, জুলাই ৪, ২০২০

‘গন্ধরাজ’ সাধারণত গ্রীষ্মের শেষ ভাগ ও বর্ষার প্রারম্ভেই ফুটে থাকে। সাদা বর্ণের পাপড়ি, হলুদ কেশর বিশিষ্ট এই সুগন্ধী ফুলটি সবুজ চকচকে পাতায় বেশ দৃষ্টিনন্দন। মন মাতানো গন্ধের জন্য এই ফুলের নাম ‘গন্ধরাজ’।

এ ফুলের বৈজ্ঞানিক নাম গার্ডেনিয়া জেসমিনোডেস। একে কেপ জেসমিনও বলা হয়। গার্ডেনিয়া শব্দটির উদ্যানের (গার্ডেন) সঙ্গে মিল থাকলেও  প্রকৃতিবিদ ড. আলেক্সান্ডার গার্ডেনের নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়েছে ‘গন্ধরাজ’

গন্ধরাজ প্রাকৃতিকভাকে তেমন কোন পরিচর্যা ছাড়া সহজে বেড়ে ওঠে। পুষ্পপ্রাচুর্য ও ঘ্রাণের দীর্ঘ স্থায়িত্বের    কারণে এ ফুল বেশ জনপ্রিয়। গাছের বংশ বৃদ্ধির প্রক্রিয়াও বেশ সহজ। ডাল কেটে মাটিতে পুঁতে রাখলেই সহজে শিকড় গজায়। দু-এক বছরের মধ্যে ফুল ফুটতে শুরু করে। এভাবেই গাছটি ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। অনেক বাসাবাড়ির টবেও সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য এগাছ লাগান। গন্ধরাজ গাছ দৈর্ঘ্যে তিন থেকে পাঁচ ফুট পর্যন্ত হয়।

মন মাতানো গন্ধের সাদা রঙের এ ফুল সুগন্ধযুক্ত, বহুদলবিশিষ্ট। ফুল ফোটার সময় দুধসাদা রং থাকলেও সময়ের সঙ্গে হালকা হলুদ বর্ণ ধারণ করে। ফুলের ব্যাস তিন-চার ইঞ্চি। পাতা দৈর্ঘ্যে তিন থেকে ছয় ইঞ্চি  যা বিপরীত জোড়ে গজায়। পাতার রং গাঢ় সবুজ ও উপরিতল তৈলাক্ত। উপযুক্ত পরিবেশ পেলে গাছ ভরে ফুল ফোটে। ফুল শেষে ছোট ডিম্বাকৃতির ফল হয়। এই ফল পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রঞ্জক পদার্থ ও ঔষুধ তৈরীতে ব্যবহৃত হয়।