ভার্চুয়াল মূদ্রা এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ

প্রকাশিত: ৮:৪০ অপরাহ্ণ, জুন ২৯, ২০২০

বিটকয়েন,লাইটকয়েন কিংবা ইথারিয়াম। ভার্চুয়াল জগতে যাদের কমবেশি বিচরণ আছে এই নামগুলি শোনেনি এমন লোকের সংখ্যা নিতান্তই অপ্রতুল।
হ্যা, এগুলি ভার্চুয়াল মূদ্রা। যার পোশাকি নাম ক্রিপ্টোকারেন্সি।
বিটকয়েন, লাইটকয়েন,ইথারিয়াম ছাড়াও মূদ্রা বাজারে আরো অনেক ভার্চুয়াল মূদ্রা প্রচলিত আছে তবে উল্লিখিত
মূদ্রাগুলি সর্বাধিক প্রচলিত এবং জনপ্রিয়। এই সমস্ত ভার্চুয়াল মূদ্রা ইউরোপ, আমেরিকাসহ উন্নত দশগুলিতে
যথেষ্ট প্রচলিত। এমনকি এশিয়া, আফ্রিকার অনেক দেশেও বর্তমানে লেনদেনের একটি জনপ্রিয় মাধ্যম হয়ে উঠেছে।
এই মূদ্রাগুলি সাধারণত ডিজিটাল ওয়ালেটের মাধ্যমে লেনদেন হয়ে থাকে। ডিজিটাল ওয়ালেটগুলিও আবার
ব্যাংক একাউন্টের সাথে যুক্ত থাকে। ফলে কেউ যদি ভার্চুয়াল মূদ্রাকে সাধারণ প্রচলিত মূদ্রায় রূপান্তর করতে চায়, সহজেই পারবে।
উন্নত বিশ্বের মূদ্রা বাজারে ভার্চুয়াল মূদ্রার প্রভাব ক্রমশ বর্ধিঞ্চু।
কম হোক বেশি হোক, বাংলাদেশ এখন একটি ডিজিটাল দেশে রূপান্তরিত হয়েছে। কিন্তু এদেশে এখনো ভার্চুয়াল মূদ্রার সঠিক ব্যবস্থাপনা বা প্রচলন কোনটাই তেমনভাবে ঘটেনি। যদিও শোনা যায়, এদেশের অনেক অর্থ পাচারকারী বিদেশে ভার্চুয়াল মূদ্রা ক্রয় করে অবৈধ অর্থ পাচার করে থাকে।
আমাদের দেশের অসংখ্য ছেলেমেয়ে অনলাইনে কাজ করেও ভার্চুয়াল মূদ্রা উপার্জন করছে। যদি সরকার এবং ব্যাংকিং খাত এদিকে একটু নজর দেয়, আশা করি, দেশ ডিজিটাল ব্যবস্থায় আরো এক ধাপ এগিয়ে যাবে এবং বৈদেশিক মূদ্রার রিজার্ভ আরও সমৃদ্ধ হবে।


Categories