ভার্চুয়াল প্লাটফর্ম ব্যবহার করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় শোক দিবস পালনের নির্দেশ। 

প্রকাশিত: ৭:৩২ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১২, ২০২১

ভার্চুয়াল প্লাটফর্ম ব্যবহার করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় শোক দিবস পালনের নির্দেশ। 

সব শিক্ষা অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভার্চুয়াল প্লাটফর্ম ব্যবহার করে জাতীয় শোক দিবসের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, চিত্র প্রদর্শনী, হামদ-নাত প্রতিযোগিতা, বঙ্গবন্ধুর জীবনভিত্তিক বক্তৃতা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করতে হবে।

আগামী ১৫ আগস্ট ২০২১ জাতীয় শোক দিবস। স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬ তম শাহাদাত বার্ষিকী। শোক দিবস যথাযথভাবে পালনে সব সরকারি বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও শিক্ষা অফিসগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

(কোভিড ১৯) করোনা মহামারির কারণে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে দিবসের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন করতে স্কুল-কলেজগুলোকে বলা হয়েছে। ভার্চুয়াল মাধ্যম ব্যবহার করেই স্কুল-কলেজগুলোকে কবিতা পাঠ, রচনা ও চিত্রঙ্কন প্রতিযোগিতা, চিত্র প্রদর্শনী, হামদ-নাত প্রতিযোগিতা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনভিত্তিক বক্তৃতা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করতে হবে।

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা অফিসগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখতে হবে। আর সব স্কুল, কলেজ ও শিক্ষা অফিসগুলোর পক্ষ থেকে শোক দিবসের দিন শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে সব স্কুল-কলেজ ও শিক্ষা অফিসগুলোকে এসব নির্দেশনা দিয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে।

স্কুল-কলেজ ও শিক্ষা অফিসগুলোর শোকদিবসের কর্মসূচির মধ্যে আছে, ১৫ আগস্ট সব শিক্ষা অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা। বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় শোক দিবস পালন এবং সব শিক্ষা অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন।

ভার্চুয়াল প্লাটফর্ম ব্যবহার করে সব শিক্ষা অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় শোক দিবসের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, চিত্র প্রদর্শনী, হামদ-নাত প্রতিযোগিতা, বঙ্গবন্ধুর জীবনভিত্তিক বক্তৃতা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করতে হবে।

জেলা ও উপজেলা তথ্য অফিসারের কাছ থেকে শিক্ষা অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে জাতীয় শোক দিবসের পোস্টার সংগ্রহ করে তা প্রচারের ব্যবস্থা করতে হবে। আর যেসব প্রতিষ্ঠানের এলইডি বোর্ড রয়েছে সেখানে জাতীয় শোক দিবস সম্পর্কিত তথ্য প্রচার করতে হবে।

স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজানামচা, সিক্রেট ডকুমেন্ট অব ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ অন ফাদার অব দি নেশন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, আমার দেখা নায়চীনসহ শিশু একাডেমি থেকে শিশুদের জন্য প্রকাশিত বঙ্গবন্ধুর জীবনভিত্তিক ২৬টি বই সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রয় ও পাঠের ব্যবস্থা ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় (আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, চিত্র প্রদর্শনী, হামদ-নাত প্রতিযোগিতা, বঙ্গবন্ধুর জীবনভিত্তিক বক্তৃতা ইত্যাদি) কৃতী শিক্ষার্থীদের উপহার হিসেবে দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

ভার্চুয়াল প্লাটফর্ম ব্যবহার করে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জীবনভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে হবে। কলেজগুলোর শোক দিবসের অনুষ্ঠানে তরুণদের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ করে দিতে হবে।

সকল শিক্ষা অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মসজিদে দোয়া মাহফিল ও উপাসনালয়ে প্রার্থনার আয়োজন করতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজ উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবসের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ যেকোন আয়োজন শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পালন করতে হবে।


Categories