বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারীদের বেতন বৈষম্য দূরীকরনে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রকাশিত: ২:০৮ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৬, ২০২০

একজন অফিস সহকারী একটি বিদ্যালয়ের প্রান।একজন অফিস সহকারী কে বিদ্যালয়ের সব গুরুত্বপূর্ন কাজ করতে হয় যেমন কম্পিউটার কম্পোজ, অন্য যে সকল কাজ কম্পিউটার এর দ্বারা করা হয় সব কিছুই করতে হয়। এমনকি কম্পিউটার ক্লাস ও করতে হয়।এছাড়া ও পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রস্তুত করা, ছাত্রছাত্রীদের রেজাল্ট শিট তৈরি করা, মাসের শেষে শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন শিট তৈরি করা,ইমেইল চেক করা এবং তার জবাব দেয়া,স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভা আহবানের জন্য নোটিশ বা পত্র তৈরি করা, স্কুলের সকল তথ্য নিজ দায়িত্ব মনে করে কম্পিউটার এ সংরক্ষণ করা, মাঝে মাঝে ক্লাশ নেয়া বা পরিচালনা করা, এছাড়া অফি

স সহকারী হিসেবে, অফিসিয়াল কাজকর্ম ও করতে হয়। যেমন বিভিন্ন ফাইল তৈরি, রক্ষণাবেক্ষণ, সংরক্ষণ,ছাত্র /ছাত্রীদের রেজিষ্ট্রেশন সক্রান্ত কাজ,আইএমএস এর কাজ এবং বিভিন্ন তথ্যের হালনাগাদ করন প্রভৃতি।এছাড়া বছরের অন্যান্য ছুটিও তেমন ভোগ করা যায় না যেমন: বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে যখন দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ তখন ও একজন অফিস সহকারীকে জীবনের ঝুকি নিয়ে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অফিসিয়াল কাজ কর্ম করতে হচ্ছে এমনকি রমজান মাসের ছুটিতে ও কাজ করতে হয়। একজন অফিস সহকারী এইচএসসি/বিএ পাস, সঙ্গে কম্পিউটারে অভিজ্ঞতা থাকে। কিন্তু দুঃখ ও লজ্জাজনক হলেও সত্য যে একজন অফিস সহকারীর বেতন-স্কেল একজন চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর চেয়ে সামান্য বেশি।
বিএ, বিএড শিক্ষকদের বেতন যদি অফিস সহকারীর চেয়ে ৬/৭ হাজার টাকা বেশি হয়, তাহলে একজন অফিস সহকারী একজন চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর চেয়ে ৩/৪ হাজার টাকা বেশি পাবেন না কেন? তা হলে কি আমাদের পড়ালেখার কোন মূল্য নেই? তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি অফিস সহকারীর কাজের গুরুত্ব বিবেচনা করে বেতনবৈষম্য দূর করার সুব্যবস্থা করবেন।

মো:আব্দুস সালাম।
অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, বিজরুল দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়,বগুড়া।