বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ ও অবসর বোর্ডের সুবিধার বিষয়ে কিছু কথা

প্রকাশিত: ১০:২৮ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৫, ২০২০

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে কল্যাণ ট্রাস্ট শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন বেসরকারী ৫ লক্ষাধিক শিক্ষক কর্মচারীর সেবাদানকারী একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
স্বভাবতই প্রশ্ন জাগে বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন থেকে অতিরিক্ত ৪ শতাশং অতিরিক্ত চাঁদা কর্তন কোন আইনের বলে হয়েছে? আইনের সেই ধারাটি জনসমক্ষে প্রকাশ করার অনুরোধ করছি।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকগণ দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার ৯৭ শতাংশের গুরুদায়িত্ব দায়িত্ব পালন করেন। দেশের ৭০-৮০ শিক্ষার্থীরা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সমাপ্ত করেই কর্ম জীবনে প্রবেশ করে, অবশিষ্টরা উচ্চ শিক্ষার দিকে ধাবিত হয়। দেশের উন্নয়ন অগ্রগতিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ভূমিকা অপরিসীম। শিক্ষকদের এই অবদান স্বরুপ বার্ধক্যে তাদের দায়িত্ব সরকারের উপর বর্তায়। অবসর কল্যাণ ট্রাস্ট আইনে শিক্ষকদের চাঁদা এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালনার কথা বলা হয়েছে। এখানে আরো উল্লেখ্য যে, ১৯৯০ সালের ২৮নং আইনের ৯নং ধারার ৩ এর (খ) তে বলা হয়েছে, সরকার কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান এবং শিক্ষকদের মাসিক নির্ধারিত চাঁদায় কল্যান ট্রাস্ট পরিচালিত হবে। সরকারের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহে ব্যার্থ হয়ে সংসদে পাসকৃত কল্যাণ ট্রাস্ট আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে শিক্ষকদের বেতন কর্তন সম্পূর্ণ আইন পরিপন্থী এবং অমানবিক।

৫% ইনক্রিমেন্ট কার্যকর হওয়ার ফলে কল্যাণ ও অবসরে ফান্ড সংকট বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমন বক্তব্য বলবো সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রেখে আর্থিক সংশ্লেষণ করা হোক। আইনের উল্লেখিত ধারায় বলা হয়েছে, শিক্ষকদের চাঁদা আদায়ের পর ঘাটতি সরকার পূরণ করবে।

সংগঠন যার যার জাতীয়করণ সবার। শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণে সকলে ঐক্যবদ্ধ হোন, ঐক্যবদ্ধ থাকুন। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য উত্তরসূরী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছায় মুজিব বর্ষেই শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণের ঘোষণা হবে- ইনশাআল্লাহ।
ধন্যবাদন্তে

আবদুল জব্বার
যুগ্ম মহাসচিব
বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী ফোরাম


Categories