বৃহত্তর কুমিল্লার ৩ উপজেলার সংযোগ Y ব্রিজের পাশে জায়গা অবৈধ ভাবে দখলে অভিযোগ

প্রকাশিত: ৯:২৬ অপরাহ্ণ, জুন ১৮, ২০২০
সাখাওয়াত হোসেন  মুরাদনগর (কুমিল্লা) সংবাদদাতা:
কুমিল্লার হোমনা – মুরাদনগর ও ব্রাহ্মণবাড়ীয়া উপজেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সংযোগ স্থলে নির্মিত দেশের একমাত Y আকৃতির ব্রিজটি নির্মিত হয়েছে ২০১৮ সালে। শতকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দেশের একমাত্র ওয়াই আকৃতির ‘শেখ হাসিনা-তিতাস সেতু’ নির্মাণের দু’বছরের মাথায় ব্রিজের সাথে জায়গা দখলে  করে ভরাটের নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। স্থানীয়দের জোর দাবি ভূমিখেকোদের হাত থেকে সেতু পাড়ের দখলকৃত জমি উদ্ধার করে অবিলম্বে সৌন্দর্য্য বর্ধনে কাজ করার। কারন ব্রিজটি হয়ে উঠেছে আশা-পাশের কয়েকটি জেলার দর্শানার্থীদের বিনোধন করার দর্শনীয় স্থানে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন বিভিন্ন প্রাপ্ত থেকে শতশত উৎসোক জনতা এই ব্রিজ পরিদর্শনে এসে থাকেন।  বিশেষ করে ছুটির দিনে অনেক ভীর লক্ষ করা যায়। আর এতে করে স্থানীয় জমির মূল্য দ্বিগুন বৃদ্ধি পেয়েছে এবং গড়ে উঠেছে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান সমূহ।
কুমিল্লার হোমনা,  মুরাদনগর  ও ব্রহ্মণবাড়ীয়ার বাঞ্ছারামপুর এই তিন উপজেলার সংযোগ স্থলে নির্মিত ওয়াই আকৃতির শেখ হাসিনা-তিতাস সেতুটি ২০১৮ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর উদ্বোধন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ভাবে উক্ত সেতু উদ্বোধন করেন। এই সেতুটি ৭৭১ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৮.১০ মিটার প্রস্ত এবং ৯৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকা  ব্যয়ে এলজিইডির অর্থায়নে বাস্তবায়ন করেছে নাভানা বিল্ডার্স।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ব্রীজের পূর্ব পাড়ের বাঞ্ছারামপুর উপজেলার চরলহনীয়া নামক স্থানে তিতাস নদীর ভিতরে প্রায় ২ একর জায়গা জুড়ে বাধ দিয়ে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে স্থাপনা নির্মাণের লক্ষে বালু ভরাটের কাজ চলছে। ব্যক্তি মালিকানা জায়গা ছারাও খাস জায়গা দখল করে ভরাট করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। তার পাশেই রয়েছে দু’টি ভাসমান কফি হাউজের স্থাপনা।
 সচেতন এলাকাবাসীর অভিযোগ এই ভাবে নদীর গতিপথ পরিবর্তন করে ভরাট করলে এবং অবৈধ ভাবে দোকানপাট নির্মাণ করতে থাকলে এক সময়  সৌন্দর্য্য হারাতে বসছে দেশের একমাত্র দৃষ্টিনন্দন ওয়াই সেতুটি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয়রা বলেন, সেতুটি নির্মাণের পরে বাঞ্ছারামপুর, হোমনা ও মুরাদনগর উপজেলার প্রায় ১০ লক্ষ লোকের যাতায়াতে যুগান্তকারী পরিবর্তন আসছে। যার ফলে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে কর্মচাঞ্চল্যতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বিষয়টিকে পূঁজি করে হোটেল-মোটেল নির্মাণের প্রতিযোগীতা চলছে।  চরলহনীয়া গ্রামের একদল ব্যক্তি এই অবৈধ দলখ কাজের সাথে জড়িত বলে জানা যায়।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন সারোয়ার বলেন, বিষটি তিনি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

Categories