বর্তমান শিক্ষার বাস্তবতা এবং এর সংস্কার করণ প্রযোজ্য তা প্রসংগে

প্রকাশিত: ৬:০৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ৩০, ২০২০
Exif_JPEG_420

শিক্ষা হলো একটা জীবন জীবিকার বাহন মাত্র।আমাদের কর্মী হয়ে কর্ম সংস্হানের জন্যই তো শিক্ষা!যদি তাই হয় তবে তো সবার জন্যে সব কিছুর শিক্ষার কি প্রয়োজন!সৃষ্টি কর্তা প্রতিটি মানুষকেই এক এক রকমের মিশন দিয়ে তার মগজে সেই
মি শন অনুযায়ী ভিষন ডুকিয়ে পাঠিয়েছেন ঐ মিশন টাকে বাস্তবায়নের জন্যে পৃথিবীতে।তার তো ঐ ভীষণছাড়া অন্য কিছু মগজে ভালো ডুকবেও না বা ঝোঁক ও থাকবে না।তাকে উল্টা পাল্টা শিক্ষা দিলে তো শুধু সময় অপচয় ছাড়া আর কিছুনা!যেমন গনিত একটা কঠিন বিষয়!তারউপর বীজ গনিত, ত্রিকোণ মিতি,পরিমিতির যাতাকল!যে মুদির দোকান করবে, মৎস চাষ করবে, কৃষি কাজ করবে, রান্না শিখবে,সেলাই কাজ করবে,শিল্প কারখানার শ্রমিক হবে, খেলোয়াড় হবে, সৈনিক হবে,বিদেশ যাবে শ্রমিক হয়ে তাদের কেন গনিতে র এসব করতে হবে।বড় জোর হিসাবের জন্য পাটীগনিত পড়লেই হয়!সবাই কি গনিতবিদ/ইন্জিনিয়ার/বিজ্ঞানী হবে না!গনিত শুধু বিজ্ঞান বিভাগের জন্যে থাকতে পারে!কিন্ত মানবিকও ব্যবসা শাখার জন্যমোটেই প্রযোজ্য নহে।হতপারে ঐচ্ছিক/আলাদা কোন সহ জ গনিত! অনুরুপ ভাবে ইংরেজি, ধর্ম কেন সবার জন্যে। অষ্টম পর্যন্ত সব থাকতে পারে!তারপর যারযার কর্ম অনুযায়ী বিষয় নির্ধারণ করতে হবে!মনের ইচ্চার বিরুদ্ধে যে শিক্ষা তা আদৌ কোন শিক্ষা নয়!এট একধরণের দবরদস্তি সন্ত্রাসী শিক্ষা!শিক্ষাবিদ, রাজ নীতিবিদ, আমলাগন নিজেদের সন্তানদের দেশের বাইরে পাঠিয়ে গোটা সাধারণ মানুষের সন্তানদের বুজ রুকি শিক্ষার মুখোমুখী করে বেকার করে উচ্চশিক্ষিত কেরানী মার্কা পড়ায় ফেলে দেশটাকে বাটপার শাহেদ তৈরীর সহায়তা করছেন!অথচ নিজেদের সন্তানেরা হয় বিদেশেই থেকে বিদেশের সেবাা করে ঐসব উন্নত করছে!সুযোগ বুঝে দেশে এসেও নামী দামী পদগুলো দখলে নিচ্ছে! দেশকে ফেলে দিচ্ছে পশ্চাতে!আবার বিদদেশে বসেই দেশপ্রেমিকের অভিনয় করে যাচ্ছেন।ত্রিশ লক্ষ লোক কি এই ধরনের বৈষম্য তৈরীতেই আত্মাহুতি দিয়েছিলো?দুই লক্ষ মা বোন কি এই ধরনের বৈষম্য মূলক সরকারী বেসরকারী পংগু শিক্ষা ব্যবস্হা দেখার জন্যে মান সম্ভ্রম হারিয়েছিলো?একটা দেশ উন্নয়নের মূল অস্রহলো শিক্ষা! দক্ষ জন গোষ্ঠী তৈরী করে নিজের দেশের সকল কাজ নিজেরাই করলে বেঁচে যেতো কোটি কোটি ডলার দেশীয় জাতীয় অর্থনীতির রিজার্ভ।আর এই ধরনের বৈষম্যহীন শিক্ষার জন্য দরকার নিচের পদক্ষেপ গুলি—১)গোটা শিক্ষা জাতীয় করণ
২)মেধা ভিত্তিক শিক্ষা বাস্তবায়ন
৩)দক্ষতা ভিত্তিক কারিগরি শিক্ষা বাস্তবায়
(চলবে)
লেখক–মোঃআঃ কদ্দুছ,
একজন শিক্ষক।
শিক্ষার উপর একটি গবেষনা মূলক প্রবন্ধ (প্রথম অংশ)


Categories