নাটোরে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্হাপন নিয়ে শিমুল ও পলকের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

প্রকাশিত: ৫:৪৩ অপরাহ্ণ, জুন ২৮, ২০২০

নাটোর প্রতিনিধি।। নাটোর জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় স্হাপন ইস্যুতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সিদ্ধান্ত চেয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার চিঠির পর স্বস্ব অবস্হান থেকে নাটোর সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম শিমুল এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়টি কোথায় স্হাপন করা হবে এই ব্যাপারে উভয় সংসদ সদস্যই তাদের নিজ নিজ এলাকার কথা বলেছেন।
এই বিষয়ে এক ফেসবুক পোস্টে তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, “আমার সংসদীয় এলাকা বাংলাদেশের এক সময়ের অবহেলিত চলনবিল অধ্যুষিত অঞ্চল। এই চলনবিলে বাংলাদেশের মানুষের খাদ্যের চাহিদা মিটানোর বেশিরভাগ ধান উৎপাদন হয়ে থাকে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র কাছে এই কৃষি প্রধান চলনবিল অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য চলনবিল কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্হাপনের অনুরোধ করেছিলাম।
তারই ধারাবাহিকতায় চলনবিলবাসীর ভাগ্য উন্নয়নের জন্য উপহারস্বরূপ দেওয়া এই কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় পেয়ে চলনবিলবাসীসহ আমরা আনন্দিত ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”
পক্ষন্তরে নিজের ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম শিমুল লিখেছেন, “দশম সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন থেকে একাদশ জাতীয় সংসদের জুন মাস পর্যন্ত ডঃ ওয়াজেদ আলী মিয়া কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, নাটোর সদর উপজেলায় স্হাপনের জন্য আমি সিদ্ধান্ত প্রস্তাব এবং ৭১ বিধিতে অব্যাহতভাবে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নাটোর সদর উপজেলায় স্হাপনের দাবি জানিয়ে আসছি এবং পরবর্তীতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে আশ্বাস দিয়েছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারের মাননীয় সফল প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র সম্মতিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের মতামতের ভিত্তিতে নাটোর সদর উপজেলায় ‘ডঃ ওয়াজেদ আলী মিয়া কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়’টি স্হাপনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। নাটোর জেলা সদরে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি স্হাপিত হলে নাটোরসহ সমগ্র উত্তরবঙ্গের ছাত্রছাত্রীরা উপকৃত হবে বলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এরূপ সিদ্ধান্তকে আমি আমার নির্বাচনী এলাকা নাটোর সদর এবং নলডাঙ্গা উপজেলাবাসীর পক্ষ থেকে স্বাগত এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানাই।”
বিশ্ববিদ্যালয় স্হাপনে এলাকা নির্বাচন প্রসঙ্গে দুই নেতার পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আগামী দিনগুলিতে বিষয়টি নিয়ে উত্তাপ ছড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে।