না’গঞ্জের ৩ এলাকা লকডাউন ঢাকার ১০টি এলাকা চিহ্নিত

সরকারি ওয়েবসাইটে জোনের তালিকা প্রকাশ, নির্দেশনা নেই মাঠপর্যায়ে

প্রকাশিত: ৮:৪৯ অপরাহ্ণ, জুন ৮, ২০২০

নারায়ণগঞ্জে প্রাথমিকভাবে অধিক সংক্রমণ থাকার কারণে তিনটি এলাকাকে রেড জোন ঘোষণা করে সেখানে লকডাউন ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শক্রমে জেলা প্রশাসক এই লকডাউন ঘোষণা করেন। রোববার দুপুরে শহরের আমলাপাড়া, জামতলা ও ফতুলস্নার রূপায়ন টাউনকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করে রেড জোন ও লকডাউন ঘোষণা করা হয়।

দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সম্মেলনকক্ষে ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান জেলা প্রশাসক জসিমউদ্দিন।

তিনি বলেন, এলাকা তিনটি লকডাউনের আওতায় থাকবে। এখান থেকে অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কোনো ব্যক্তি বাইরে আসতে পারবেন না বা বাইরে থেকে কোনো ব্যক্তি উক্ত এলাকায় যেতে পারবেন না। এসব এলাকায় কোনো গণপরিবহণ থামবে না, কাঁচাবাজার বন্ধ করে ভ্রাম্যমাণ বাজারের ব্যবস্থা করা হবে।

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সেলিম রেজা বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে অধিক আক্রান্ত অঞ্চল হিসেবে আমরা এই তিনটিকে রেড জোন ঘোষণা করেছি। রেড জোন এলাকায় রোববার থেকেই লকডাউন কার্যক্রম হবে।’

জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ জানান, ‘আমরা প্রাথমিকভাবে  অধিক আক্রান্ত অঞ্চল হিসেবে তিনটি এলাকাকে রেড জোন ও লকডাউন ঘোষণা করেছি। আস্তে আস্তে পুরো জেলাকেই রেড, ইয়োলো ও গ্রিন জোন ঘোষণা করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

রাজধানী ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন, গাজীপুর, নরসিংদী আর নারায়ণগঞ্জে পাইলটিংভিত্তিতে লকডাউনের কাজ করা হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের পল্টন, কলাবাগান, গেন্ডারিয়া, সূত্রাপুর, গুলশান, রমনা, মতিঝিল, তেজগাঁও, শাহজাহানপুর এবং হাজারীবাগ- এই ১০ এলাকায় লকডাউনের ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রস্তাবনা রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একাধিক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। ঝুঁকি বিবেচনায় ও কিছু প্যারামিটারের ভিত্তিতে সারাদেশকে রেড, ইয়েলো এবং গ্রিন জোনে ভাগ করা হচ্ছে।

সূত্র জানায়, এলাকা ভাগ করার ক্রাইটেরিয়াতে এক লাখ মানুষের মধ্যে ১৪ দিনে সেখানে নমুনা সংগ্রহ, নমুনা সংগ্রহের বিপরীতে রোগী শনাক্ত এবং এই সময়ের মধ্যে রোগীর সংখ্যা দ্বিগুণ হওয়ার হার বিবেচনা করা হয়েছে। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সূত্র জানান, জোনের প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে ঠিকই, এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এগুলো প্রযুক্তিভিত্তিক কাজ। শনাক্ত হওয়া রোগীর ভিত্তিতে কিছু প্যারামিটার ঠিক করা হয়েছে।

একই সঙ্গে ঢাকার বাইরেও জেলা-উপজেলার জন্য এক লাখ মানুষের মধ্যে ১৪ দিনের মধ্যে তিন থেকে নয় ইয়েলো, দশের বেশি হলে রেড এবং তিনজনের নিচে হলে গ্রিন-এটা হচ্ছে জোনাল হিসেবে ভাগ করার একটা প্রাথমিক প্রস্তাবনা। এর সঙ্গে প্রস্তাবনা হিসেবে আরও যোগ হয়েছে ডাবলিং রেট-ডাবলিং টাইম অর্থাৎ ১৪ দিনে কোনো এলাকার রোগী সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে, রোগের গ্রাফিক্যাল ট্রেন্ড, নমুনা কত সংগ্রহ হচ্ছে এবং এসব নমুনার ভেতর কত শতাংশ পজিটিভ অর্থাৎ সংগ্রহকৃত নমুনার মধ্যে কতজন করোনাতে আক্রান্ত হয়েছেন। এ রকম আরও কিছু প্যারামিটার যোগ করে এলাকা ভাগ করার প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষভাবে নজর রাখার কথা রয়েছে অধিদপ্তরের প্রস্তাবনায়।

তবে গণমাধ্যমে লকডাউন বলা হলেও সেখানে কী কী ব্যবস্থাপনা হবে, কোন পদ্ধতিতে কোন বিধি-নিষেধের আওতায় কোন এলাকা আসবে, সেটা নির্ধারিত এলাকার জনপ্রতিনিধিরা ঠিক করবেন। কিন্তু বিটুইন দ্য জোন অর্থাৎ রেড জোন থেকে সবুজ বা সবুজ থেকে হলুদ এলাকায় মানুষের যাতায়াত কী হবে, সেটা কেন্দ্রীয়ভাবে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

সূত্র জানায়, রেড জোন মানেই সম্পূর্ণভাবে এসব এলাকা লকডাউন করে দেয়া নয়। এসব এলাকার ওয়ার্ড কমিশনার বা মেয়র যেভাবে এটা বাস্তবায়ন করলে সর্বোচ্চ সুবিধা পাবেন বলে মনে করবেন, সেভাবেই তারা এটি বাস্তবায়ন করবেন। এ জন্য সাপোর্টিং ম্যানেজমেন্ট যেমন-খাবার, বাজার, ব্যাংকসহ প্রয়োজনীয় বিষয় মাথায় রেখে করতে হবে। কতটুকু ইউনিটে কোন ম্যাজার নেবে, সেটা স্থানীয় প্রশাসন বা জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে করা কমিটি ঠিক করবেন। রেড জোন মানে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় কী পদক্ষেপ নেয়া হবে, কীভাবে নেয়া হবে- এগুলো ঠিক করার জন্য কমিটি গঠনের প্রস্তাবনাও রাখা হয়েছে।

‘লকডাউনের জোনে ভাগ করা মানেই লকডাউন নয়’ মন্তব্য করে একাধিক সূত্র বলেন, ‘আমরা জোন ঠিক করে দেব-সেখানে লকডাউন দেয়া হবে নাকি অন্য কোনো ব্যবস্থা নেয়া হবে, সেটা কমিটি ঠিক করবে। তবে এক জোন থেকে আরেক জোনে যাতায়াত কী হবে, সে বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা দেয়া হবে।’

লকডাউনের এলাকা চূড়ান্ত হতে এখনো বাকি আছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. হাবিবুর রহমান। এ বিষয়ে কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।

ওয়েবসাইটে লকডাউন

জোনের তালিকা

করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) তথ্য আপডেট-সংক্রান্ত সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে ঢাকা মহানগরসহ সারাদেশের লকডাউন এলাকার তালিকা। ‘গ্রিন, ইয়েলো এবং রেড জোন’- এই তিন ভাগে ভাগ করে তালিকা প্রকাশ করা হলেও এসব জোনের নাগরিকদের জন্য নতুন কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা পুলিশের ভূমিকা কী হবে, এ বিষয়েও কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে শনিবার রাতে ওয়েবসাইটটিতে সর্বশেষ আপডেট হিসেবে এই তালিকা দেখা যায়। করোনা প্রতিরোধ সহায়ক এই ওয়েবসাইটটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর), সরকারের এটুআই প্রকল্প, মন্ত্রিপরিষদ ও আইসিটি বিভাগের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে।

এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জোনিংয়ের কোনো ঘোষণা না এলেও ওয়েবসাইটে দেশের তিনটি বিভাগ, ৫০টি জেলা এবং ৪০০টি উপজেলাকে পুরোপুরি লকডাউন (রেড জোন বিবেচিত) দেখানো হয়েছে। আংশিক লকডাউন (ইয়েলো জোন বিবেচিত) দেখানো হয়েছে দেশের পাঁচটি বিভাগ, ১৩টি জেলা এবং ১৯টি উপজেলাকে। আর লকডাউন নয় (গ্রিন জোন বিবেচিত) এমন জেলা দেখানো হচ্ছে একটি এবং উপজেলা দেখানো হচ্ছে ৭৫টি। ঢাকা মহানগরীর ৩৮টি এলাকাকে আংশিক লকডাউন (ইয়েলো জোন বিবেচিত) হিসেবে দেখানো হয়েছে। তবে লকডাউন নয় (গ্রিন জোন বিবেচিত) বলে দেখানো হচ্ছে ১১টি এলাকাকে। ঢাকায় এখন পর্যন্ত পুরোপুরি লকডাউন (রেড জোন বিবেচিত) হিসেবে কোনো এলাকাকে দেখানো হচ্ছে না।

তবে রেড জোন বা ইয়েলো জোনে নাগরিকদের জন্য কোনো ধরনের নির্দেশনা দেয়া হয়নি সরকারি এই ওয়েবসাইটে।

ইয়েলো জোনের অন্তর্ভুক্ত এলাকার দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অ্যাডিশনাল এসপি) সমমর্যাদার একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে অনেকের ফোন পেয়েছি। তবে ইয়েলো জোনে কে কীভাবে চলাফেরা করতে পারবে, দোকানপাট কয়টা থেকে কয়টা পর্যন্ত খোলা থাকবে, এ বিষয়ে নতুন করে কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে তিন মাস আগে যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল, পুলিশ সে অনুযায়ীই কাজ করছে।’

ইয়েলো জোনের অন্তর্ভুক্ত আরেকটি এলাকার এএসপি সমমর্যাদার একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘সকালে গণমাধ্যমে সংবাদ পেয়ে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানতে পারলাম, আমার এলাকা ইয়েলো জোনের অন্তর্ভুক্ত। আমার বিভাগের একাধিক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমাকে ফোন দিয়ে নির্দেশনা চেয়েছেন। আমি তাদের আগের নিয়মেই সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে কাজ করে যেতে বলেছি। নতুন করে কোনো নির্দেশনা পাইনি।’

কোন জোনে কীভাবে কাজ করা হবে? কোন জোনের লোকজন কীভাবে চলাফেরা করবে? নতুন কোনো নির্দেশনা জারি হয়েছে কিনা, জানতে চেয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেককে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) মো. হাবিবুর রহমান খান বলেন, ‘এ ধরনের একটি তালিকা প্রকাশ করার কথা ছিল। তবে এটা করা হয়েছে কিনা, আমার কাছে আপডেট নেই। তাই এ বিষয়ে আমি এখনই মন্তব্য করতে পারব না। আমাকে তালিকা দেখে ও বুঝে মন্তব্য করতে হবে।’

একাধিকবার ফোন করে বন্ধ পাওয়া যায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরটি।

মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে শনিবার সর্বশেষ আপডেট করা তালিকা অনুসারে, বরিশাল বিভাগের মধ্যে পুরোপুরি লকডাউন- বরগুনা, বরিশাল, পটুয়াখালী ও পিরোজপুর। এই বিভাগে আংশিক লকডাউন ভোলা ও ঝালকাঠি। চট্টগ্রাম বিভাগে পুরোপুরি লকডাউন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, কুমিলস্না, কক্সবাজার, ফেনী, খাগড়াছড়ি, লক্ষ্ণীপুর ও নোয়াখালী। এই বিভাগে আংশিক লকডাউন বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও রাঙামাটি।

ঢাকা বিভাগের মধ্যে পুরোপুরি লকডাউন- গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, মাদারীপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, রাজবাড়ী, শরীয়তপুর ও টাঙ্গাইল। এই বিভাগে শুধু ঢাকা ও ফরিদপুর আংশিক লকডাউন। খুলনা বিভাগের মধ্যে চুয়াডাঙ্গা, যশোর, খুলনা, মেহেরপুর, নড়াইল ও সাতক্ষীরা পুরোপুরি লকডাউন। এই বিভাগে আংশিক লকডাউন বাগেরহাট, কুষ্টিয়া ও মাগুরা। খুলনা বিভাগেই দেশের একমাত্র গ্রিন জোন চিহ্নিত জেলা ঝিনাইদহ, অর্থাৎ এটি লকডাউন নয়।

রাজশাহী বিভাগের মধ্যে পুরোপুরি লকডাউন বগুড়া, জয়পুরহাট, নওগাঁ, নাটোর ও রাজশাহী। এই বিভাগে আংশিক লকডাউন চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ। রংপুর বিভাগের আটটি জেলাই পুরোপুরি লকডাউন। জেলাগুলো হলো- দিনাজপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, পঞ্চগড়, রংপুর ও ঠাকুরগাঁও।

সিলেট বিভাগের সব কয়টি জেলা পুরোপুরি লকডাউন। জেলাগুলো হলো- হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ ও সিলেট। ময়মনসিংহ বিভাগেরও সব কয়টি জেলা পুরোপুরি লকডাউন। এই চারটি জেলা হলো জামালপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা ও শেরপুর।

অন্যদিকে ওয়েবসাইটের তালিকায় ঢাকা মহানগরীর আংশিক লকডাউন বলে চিহ্নিত ৩৮টি এলাকা হলো- আদাবর থানা, উত্তরা পূর্ব, উত্তরা পশ্চিম, ওয়ারী, কদমতলী, কলাবাগান, কাফরুল, কামরাঙ্গীরচর, কোতোয়ালি, খিলক্ষেত, গুলশান, গেন্ডারিয়া, চকবাজার, ডেমরা, তেজগাঁও, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, দক্ষিণখান, দারুসসালাম, ধানমন্ডি, নিউমার্কেট, পল্টন মডেল, পলস্নবী, বংশাল, বাড্ডা, বিমানবন্দর, ভাটারা, মিরপুর মডেল, মুগদা, মোহাম্মদপুর, যাত্রাবাড়ী, রমনা মডেল, লালবাগ, শাহআলী, শাহজাহানপুর, শেরে বাংলা নগর, সবুজবাগ, সূত্রাপুর ও হাজারীবাগ থানা এলাকা।

লকডাউন নয় বলে চিহ্নিত ১১টি এলাকা হলো- উত্তরখান থানা, ক্যান্টনমেন্ট থানা, খিলগাঁও, তুরাগ, বনানী, ভাষানটেক, মতিঝিল, রামপুরা, রূপনগর, শাহবাগ ও শ্যামপুর থানা এলাকা।

আইইডিসিআরের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে, ঢাকা জেলায় ২০ হাজার ৭০৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরীতে আক্রান্ত ১৯ হাজার ৩২৭ জন।