টিউশন ফি বাকী পড়ায় অর্ধেক শিক্ষার্থীকে অনলাইন ক্লাসে যোগ দিতে দেয়নি হার্ডকো স্কুল কর্তৃপক্ষ, অভিভাবকদের প্রতিবাদ

প্রকাশিত: ৪:০৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৪, ২০২০

টিউশন ফি বাকী থাকায় রাজধানীর বসুন্ধরার হার্ডকো ইন্টারন্যাশনাল স্কুল তাদের প্রায় অর্ধেক শিক্ষার্থীকে অনলাইন ক্লাসে যোগ দিতে দেয়নি। এমনকি নিয়ম অনুযায়ী ১৫ তারিখের মধ্যে জুলাই মাসের অগ্রিম ফি না দেয়ায় অনেক শিক্ষার্থী ক্লাসের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। স্বাভাবিক সময়ে ৩ মাস বেতন বাকী থাকলেও এম আচরণ করা হয়না। ক্লাস চালিয়ে যেতে পারে। ফাইন দিয়ে ফি পরিশোধ করা যায়। হার্ডকো স্কুলের অভিভাবকরা আজ রোববার ১৯ জুলাই স্কুলের সামনে তাৎক্ষণিকভাবে জড়ো হয়ে কর্তৃপক্ষের এই আচরনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। অভিভাবকদের একটি প্রতিনিধিদল স্কুলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রিন্সিপালের সাথে সাক্ষাৎ করে টিউশন ফি বাকী পড়ায় শিক্ষার্থীদের ক্লাসে যোগদানে বাধা দেয়ার প্রতিবাদ জানান।
হার্ডকো প্যারেন্টস ফোরামের আহবায়ক কল্যাণ ওয়াদ্দার জানিয়েছেন করোনাকালীন স্কুল বন্ধ থাকার সময়ে টিউশন ফি অর্ধেক রাখার দাবি জানিয়ে আসছেন হার্ডকো স্কুলসহ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের অভিভাবকরা। চাকুরি চলে যাওয়া, বেতন কমে যাওয়া বা ব্যবসায় মান্দার কারণে অনেক অভিভাবকের আয় কমে গেছে। তাছাড়া স্কুল বন্ধ থাকায় স্কুল পরিচালন ব্যয়ও্ প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। এছাড়া গত সপ্তাহে হাইকোর্টে বিচারপতি ইনায়তেুর রহিমের আদালত থেকে একটি নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে ফি বাকী পড়ার কারণে যাতে কোন শিক্ষার্থীকে অনলাইন ক্লাসে যোগদানে বিরত রাখা না হয়। উত্তরার দিল্লি পাবলিক স্কুলের একজন অভিভাবকের আবেদনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট এই নির্দেশনা দেয়। হার্ডকো কর্তৃপক্ষ বলছে হাইকোর্টের নির্দেশনা কেবলমাত্র দিল্লি পাবলিক স্কুল মানতে বাধা , তারা নয়।

আরো পড়ুন:

হার্ডকো স্কুল কর্তৃপক্ষের অন্যায় আচরণের বিরুদ্ধে অভিভাবকদের মানববন্ধন


Categories