টাঙ্গাইলে ফোর মার্ডার : আদালতে আসামীর স্বীকারোক্তি

প্রকাশিত: ১:২০ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২৩, ২০২০

আবু সামা, টাংগাইল।।

  টাঙ্গাইলের মধুপুরে একই পরিবারের চারজনকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় মূল আসামি সাগর আলী আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।মধুপুর থানার ওসি (তদন্ত) ছানোয়ার হোসেন জানান, গত রোববার সাগরকে গ্রেফতার করে থানা হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে তাকে টাঙ্গাইল কোর্টে হাজির করা হয়। বিকেলে তিনি এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিজের অপরাধ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শামছুল আলম এই জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে সাগরকে জেলাহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন তিনি।ছানোয়ার হোসেন আরো বলেন, সাগর গ্রেফতার হওয়ার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে যে তথ্য দিয়েছিলেন, আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে তার মিল রয়েছে। জবানবন্দিতে তিনি বলেছেন, নিহত গণি মিয়া সুদের কারবার করতেন। তার সাথে সাগরের সুদের টাকার লেনদেন ছিল। ক’দিন আগে গণির কাছে ২০০ টাকা ধার চাইতে গিয়ে অপমানিত হয়ে ফিরে আসেন সাগর। তিনি এই অপমানের প্রতিশোধ নিতেই সহযোগীদের নিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় পরিকল্পিতভাবে তাদের চারজনকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে গেটে তালা দিয়ে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যান।মামলায় এখন পর্যন্ত দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত অপর আসামি হলেন জোয়াদ আলী। তাকে তিন দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। দুইজনের বাড়িই মধুপুরের ব্রাহ্মণবাড়ী এলাকায়। গত রোববার পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে ৷ গত শুক্রবার মধুপুর পৌর এলাকার পল্লী বিদ্যুৎ রোডের মাস্টারপাড়া এলাকার একটি বাড়ি থেকে গণি মিয়া ও তার স্ত্রী কাজিরন ওরফে বুচি এবং তাদের ছেলে কলেজছাত্র তাজেল ও শিশুকন্যা সাদিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওইদিন রাতে নিহত গণি মিয়ার বড় মেয়ে সোনিয়া বেগম বাদি হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মধুপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।


Categories