জাহানারা হক মহিলা কলেজ এম পি ও ভুক্ত করতে অাইনমন্ত্রী মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা।

প্রকাশিত: ২:৪৪ অপরাহ্ণ, জুন ২৩, ২০২০

সৌমিত্র সাহা ঃ আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া::

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অন্তর্গত আখাউড়া উপজেলার একমাত্র ঐতিহ্যবাহী নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান “আখাউড়া নাছরীন নবী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ” এর কলেজ শাখা ২০১১ ইং সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালে কলেজ শাখাটি আখাউড়া নাছরীন নবী পাইলট  বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হতে পৃথকীকরণ হয়ে বর্তমান কসবা আখাউড়ার মাননীয় সংসদ সদস্য ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব এডভোকেট আনিসুল হক মহোদয়ের শ্রদ্ধেয় মাতা জাহানারা হক’র নামে প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা হয় “জাহানারা হক মহিলা কলেজ” যার ইন নম্বর : 38749।উল্লেখ্য এটি অাখাউড়া উপজেলার একমাত্র মহিলা কলেজ।

প্রতিষ্ঠানটি ২০১৩ সালে প্রথমবারের মতো মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লা এর অধীনে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সন্তোষজনক ফলাফল করে আসছে। বর্তমান এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-কর্মচারী সংখ্যা ১৬ জন ও প্রায় ৪৫০ জন ছাত্রী রয়েছে। এইসব শিক্ষক-কমর্চারীদের প্রতিষ্ঠান থেকে তাদের সামান্য সম্মানী দেওয়া হয়।

কিন্তু বর্তমান করুণা প্রেক্ষাপট বিবেচনায় শিক্ষকরা তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। যেহেতু সরকার ১৭ মার্চ হতে অদ্যবদি সব ধরনের স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রাইভেট পড়ানো বন্ধ ঘোষনা করেছেন, তাই তাদের বাড়তি উপর্জন করার কোন সুযোগ নেই। ফলে তারা খুবই মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

এবিষয়ে অত্র কলেজের উৎপাদন ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক অজয় লাল ঘোষ, আইসিটি বিভাগের প্রভাষক রাজন রায়, অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক আতিকুর রহমান খান, সমাজবিজ্ঞানের প্রভাষক সুভাষ চন্দ্র দাস জানান, “তারা যথাযথ শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন এবং কলেজটির মানও দিন দিন উন্নত হচ্ছে। কলেজটিকে ভালো অবস্হায় নিয়ে যেতে হলে এবং শিক্ষকদেরকে পাঠদানে অারো মনোযোগী করতে এমপিওভুক্তির কোন বিকল্প নেই। যেহেতু প্রতিষ্ঠানটি মাননীয় আইন মন্ত্রী জনাব এড. আনিসুল হক মহোদয়ের মায়ের নামে,তাই এবিষয়ে শিক্ষকগণ এ বিষয়ে মন্ত্রী মহোদয়ের সুদৃষ্টি কামনা করছেন।”