জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্যানিকেতন পরিদর্শন করেছেন চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার

প্রকাশিত: ৯:৫৭ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২১, ২০২০

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার বেড়তলা গ্রামে ‘জাতীয় কবির’ নামে প্রতিষ্ঠিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্যানিকেতন পরিদর্শন ও উন্নয়ন কর্মকান্ড উদ্বোধন করেছেন চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার জনাব এ বি এম আজাদ এন ডি সি।

আজ সকালে এ সময় সাথে ছিলেন বিভাগীয় কমিশনারের সহধর্মিণী মিসেস লায়লা আজাদ ; জেলা প্রশাসক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জনাব মো. হায়াত- উদ-দৌলা খাঁন ; অর্থ মন্ত্রনালয়ের উপ সচিব জনাব মো. জেহাদ উদ্দিন ; এ ডি সি ( সার্বিক), ব্রাহ্মণবাড়িয়া জনাব মো. শাসছুজ্জামান ; উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সরাইল জনাব এ. এস. এম. মোসা ; উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, আশুগঞ্জ জনাব মো. নাজিমুল হায়দার ; সহকারী কমিশনার জনাব ফারজানা প্রিয়াংকা সহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও বিদ্যানিকেতনের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ এবং শিক্ষক শিক্ষিকামন্ডলী।

বিদ্যানিকেতন পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার জনাব এ বি এম আজাদ বলেন, জাতীয় কবির নামে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যানিকেতটি সাহিত্য বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।তিনি আরো বলেন, এই বিদ্যানিকেতনটির সার্বিক কর্মকান্ডে তিনি পাশে থাকবেন। এ সময় উপস্হিত জেলা প্রশাসনের কর্মর্তাদেরকে প্রতিষ্ঠানটির পাশে থাকার জন্য নির্দেশনা প্রদান করে বলেন, একদিন এই প্রতিষ্ঠানের কোমলমতি শিক্ষার্থীরাই নজরুলের চেয়ে বড় কবি হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হবে।

এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জনাব হায়াত- উদ-দৌলা খাঁন বলেন,এই প্রতিষ্ঠানটি ছোট একটি প্রদীপ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কিন্তু সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একদিন এই প্রদীপের আলোতেই আলোকিত হবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং এরকম লক্ষ প্রদীপ জ্বলে উঠবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাহিত্য বিকাশে এই প্রতিষ্ঠানটি একদিন অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্যানিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা ও পৃষ্ঠপোষক, বিশিষ্ঠ নজরুল গবেষক, সেইভ দ্যা ভিলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও অর্থ মন্ত্রনালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উপসচিব জনাব মো. জেহাদ উদ্দিন আগামী বছর থেকে প্রতি বছর জাতীয় কবির জন্মদিনে এই বিদ্যানিকেতনে জাতীয় পর্যায়ের একটি অনুষ্ঠান করার ঘোষণা দেন।

তিনি নজরুলকে ‘আলোকবর্তিকা’ হিসেবে উল্লেখ করেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নতুন প্রজন্মকে অতীতের সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, নজরুলকে জানার মাধ্যমে আমাদের হারানো সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে আমরা ফিরে পেতে পারি।


Categories