ছাতকে স্কুল ছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের

প্রকাশিত: ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২৩, ২০২০
মোঃআজিজুর রহমান,সুনামগঞ্জ।।
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলাধীন এলঙ্গি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেনির ছাত্রী হুমায়ারা বেগমকে অপহরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের করছখালী গ্রামের ভিকটিমের পিতা দুদু মিয়া বাদী হয়ে গত রোববার ( ১৯ জুলাই) ছাতক থানায় মামলা নং-২৫ দায়ের করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী/০৩ এর ৭/৩০ মামলাটি রুজু করা হয়।

এতে একই ইউনিয়নের খাইরগাঁও গ্রামের মৃত. কলমদর আলির ছেলে কামাল উদ্দিন (২৫), জামাল উদ্দিন (২২), নিজাম উদ্দিন (৪৫), পুরান লম্বাহাটি (হাসনাবাদ) গ্রামের চান্দ আলীর ছেলে বিল্লাল মিয়া (৩৫), ও আরো ২-৩ জনকে অজ্ঞাত নামা ব্যক্তিকে আসামী করা হয়েছে।

অভিযোগসূত্রে জানা যায়,অপহরণকৃত কিশোরি উপজেলার উত্তর খুরমা ইউনিয়নের এলঙ্গি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর ছাত্রী হুমায়ারা বেগম।অপহরণকারী কামাল উদ্দিন একজন সিএনজি চালক।সে ভিকটিমের দীর্ঘদিন ধরে পিছু নেয় এবং বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার পথে খারাপ অঙ্গভঙ্গীসহ ভিকটিমকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল।বিষয়টি ভিকটিম তার পিতা দুদু মিয়াকে অবগত করেন,দুদু মিয়া এ বিষয়টি জামাল উদ্দিন,নিজাম উদ্দিনসহ অন্যান্য আসামীদের অবগত করেন।এতে কামাল উদ্দিন ও তার সহযোগিরা ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১৩ জুন দিবাগত রাত করছখালী গ্রামে ভিকটিমের নিজ বসতবাড়ি থেকে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

অনুসন্ধানে জানা যায়,কালারুকা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে হুমায়ারা বেগমের জন্ম সনদ নিবন্ধতিত করা হয়।ওই জন্ম সনদ ও এলঙ্গি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বোর্ড কতৃক রেজিষ্ট্রেশন কার্ডে তার জন্ম তারিখ ৩০/০৭/২০০৩ উল্লেখিত রয়েছে।জন্ম

সনদ অনুযায়ী তার বয়স ১৬ বছর ১০ মাস ২২ দিন।
এ বিষয়ে এলঙ্গি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষজ মো. নুরুল ইসলাম বলেন,হুমায়ারা বেগম আমার বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেনীর ছাত্রী।শুনেছি তাকে অপহরণ করা হয়েছে।

ভিকটিমের পিতা দুদু মিয়া বলেন,আমার অবুঝ কিশোরী মেয়ের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে কামাল উদ্দিন ও তার সহযোগিরা অপহরণ করেছে।মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ছাতক থানার এসআই লিটন চন্দ্র কোনো অদৃশ্য কারণে ভিকটিমকে উদ্ধার ও অপহরণকারীদের গ্রেফতারে কার্যত পদক্ষেপ নিচ্ছেন না।মেয়েকে ফিরে পেতে ও অপহরণ
কারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য সুনামগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক,পুলিশ সুপার ও ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি)হস্তক্ষেপ কামনা
করছি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ছাতক থানার এস আই লিটন চন্দ্র বলেন, ভিকটিমকে উদ্ধার ও আসামীদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।

ছাতক থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত)মো. মঈন উদ্দিন বলেন, অপহরণকৃত কিশোরীকে উদ্ধার ও আসামীদের গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চলছে।


Categories