চট্টগ্রামের একটি  রি-রোলিং মিলের কারখানা থেকে গ্রেনেড উদ্ধার।

প্রকাশিত: ২:২১ অপরাহ্ণ, জুলাই ৯, ২০২০

 

এম. ইউছুফ |চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামের একটি রি-রোলিং মিলের কারখানা থেকে একটি গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সদস্যরা উদ্ধারকরা গ্রেনেডটি  নিষ্ক্রিয় করেছে বলে জানান।
বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে মিরসরাই উপজেলার মধ্যম সোনাপাহাড় এলাকায় বাংলাদেশ স্টিল রিরোলিং মিল (বিএসআরএম) এর কারখানা থেকে গ্রেনেডটি উদ্ধার করে বলে জানা যায়।
মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিন জানান , বুধবার বিকেলে বিএসআরএম কারখানা থেকে থানায় একটি বোমা সদৃশ বস্তু পড়ে থাকার খবর জানানো হয়। ‘আমরা গিয়ে দেখতে পাই লোহার রড তৈরির কাঁচামালের মধ্যে একটি গ্রেনেডসদৃশ বস্তু পড়ে আছে। পরে সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের বোম্ব ডিজপোজাল ইউনিটকে খবর দিলে তারা এসে গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করে।’
মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, বিএসআরএম কর্তৃপক্ষ আমাদের জানায়, সম্প্রতি জাপান থেকে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আসা ১০ হাজার মেট্রিকটন স্টিল স্ক্র্যাপ তাদের কারখানায় আনা হয়। এই স্ক্র্যাপের ভেতরে গ্রেনেডটি ছিল বলে তাদের ধারণা।
‘বিএসআরএমের পক্ষ থেকে স্ক্র্যাপের ভেতরে করে গ্রেনেডটি আসার কথা বলা হলেও আমরা নিশ্চিত নই। চট্টগ্রাম বন্দরের গেইট দিয়ে বের হওয়ার সময় স্ক্যানিং মেশিনে বিষয়টি অবশ্যই শনাক্ত হওয়ার কথা। বিএসআরএম কারখানার গেইটেও স্ক্যানার আছে। সেখানেও শনাক্ত হয়নি।’
তিনি এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি,তবে থানায় একটি সাধারণ ডায়রি হয়েছে। সাধারণ ডায়রি মূলে বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখছেন বলে জানান।
সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের বোম্ব ডিজপোজাল ইউনিটের ইনচার্জ পরিদর্শক রাজেশ বড়ুয়ার নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি টিম গিয়ে গ্রেনেডটি উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করে। পরিদর্শক রাজেশ বড়ুয়া বলেন, গ্রেনেডটি বাইরে জং ধরা থাকলেও এটি তাজা গ্রেনেড ছিল। তিনি  কারখানার দক্ষিণে একটি খোলা মাঠে গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করা হয় বলে জানান।