খুলনার দৌলতপুরে কম্বলের প্রলোভনে অঙ্কিতাকে ছাদে নিয়ে ধর্ষণ অতঃপর শ্বাসরোধ করে হত্যা। 

প্রকাশিত: ৮:০০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৩১, ২০২১

মোঃ মিজানুর রহমান খুলনা জেলা প্রতিনিধি।

খুলনার দৌলতপুরে কম্বলের প্রলোভনে অঙ্কিতাকে ছাদে নিয়ে ধর্ষণ অতঃপর শ্বাসরোধ করে হত্যা। 

দৌলতপুর পাবলা বণিকপাড়ার সুশান্ত দে’র ৮ বছরের শিশু কন্যা স্থানীয় বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণির ছাত্রী অঙ্কিতা দে ছোয়া (৮) কে কম্বল দেয়ার প্রলোভন দিয়ে আসামি প্রীতম রুদ্র (২৭) তার ৪ তলা বাড়ির ছাদে নিয়ে ধর্ষণ করে গলায় রশি দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে তার লাশ গুম করার জন্য বস্তায় ভরে বাড়ির নিচ তলার বাথ রুমে লুকিয়ে রাখে।
গতকাল শনিবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোঃ মিজানুর রহমান আসামি প্রীতমকে আদালতে হাজির করেন। এ সময় প্রীতম ধর্ষণ ও হত্যার বিবরণে দিয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। তার দেয়া ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারার জবানবন্দি মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আহমেদ রেকর্ড করেছেন। প্রীতম রুদ্র দৌলতপুর পাবলা বণিকপাড়া বীণাপানি ভবনের প্রভাত কুমার রুদ্র’র ছেলে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোঃ মিজানুর রহমান জানান, পরদিন ওই এলাকার একটি ভবনের নিচতলার শৌচাগার থেকে উদ্ধার হয় অঙ্কিতার বস্তাবন্দি মরদেহ। এরপর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বীণাপানি ভবনের মালিক প্রভাত রুদ্র, পার্লারের মালিক মুক্তিসহ ছয়জনকে আটক করা। তাদেরকে থানায় রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করার একপর্যায়ে প্রীতম রুদ্রকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে বেরিয়ে আসে হত্যা রহস্য।
মামলার বিবরণে জানা যায়, দৌলতপুর পাবলা বণিকপাড়ার সুশান্ত দে’র ৮ বছরের শিশু কন্যা স্থানীয় বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণির ছাত্রী অঙ্কিতা দে ছোয়া ২২ জানুয়ারি দুপুর ১২টার দিকে বাড়ির পাশে খেলতে যায়। দুপুর ২টার দিকে বাড়ি ফিরে না আসায় অনেক খোঁজাখুঁজির পর দৌলতপুর থানায় জিডি করা হয়। ২৬ জানুয়ারি মামলা হয়। এ মামলায় একই এলাকার জাহাঙ্গীর ও তার স্ত্রী রিক্তাকে গ্রেফতার করে। জাহাঙ্গীর ও তার স্ত্রী রিক্তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। ৬ জনকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ২৮ জানুয়ারি দুপুরে দৌলতপুর পাবলা বণিকপাড়া কালী মন্দিরের পাশে বীণাপানি ভবনের নিচতলা বাথরুমের ভিতর থেকে শিশুটির বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

Categories