“কোচিং (ভর্তি) বানিজ্যের হাত থেকে রক্ষা করুন” মিঞা মোঃ এলাহি

প্রকাশিত: ৯:১২ অপরাহ্ণ, জুলাই ৪, ২০২০

উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে শুরু হয়  মেডিক্যাল, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য শুরু হয় এক অসুস্থ ভর্তি যুদ্ধ যে যুদ্ধে জয়ী হতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নাওয়া, খাওয়া এমনকি ঘুম পর্যন্ত হারাম হয়ে যায়।

আর এরই সুযোগে ব্যাঙের ছাতার মত গজিয়ে উঠা কোচিং সেন্টারগুলো আকর্ষণীয় ও লোভনীয় অফার দিয়ে কোটি কোটি টাকা কামাই করে যাচ্ছে। শুধু তাই না, কোচিং সেন্টারগুলো নানা রকম অপকৌশলের মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস করার সাথেও জড়িত থাকে যা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভাবমূর্তি নষ্ট করে।

এ থেকে মুক্তির কি কোন পথ নেই?

আজকাল দেখা যায় প্রায় ৮০% থেকে ৯০% ছাত্র ছাত্রী পাবলিক পরীক্ষায় পাস করে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে মেডিক্যাল, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে নেওয়া যায় এবং উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পর ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা যায়।

উচ্চ মাধ্যমিকে যাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের চাহিত ন্যূনতম গ্রেড পয়েন্ট থাকবে না তাদের ভর্তি পরীক্ষার উত্তরপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে। আর আবেদনের সংখ্যা সীমিত করার জন্য এস এস সি পরীক্ষায় অর্জিত ফলাফলের বিবেচনায় আবেদন গ্রহন করা যেতে পারে। তাতে কোচিং নির্ভরতা কমে যাবে।

ভেবে দেখার জন্য সরকার ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মহোদয়গণের আশু দৃষ্টি  আকর্ষণ করছি।

 

প্রভাষক ও বিভাগীয় প্রধান (ইংরেজি)

আবদুস সাত্তার ডিগ্রি কলেজ ।


Categories