“কুমিল্লার রেইসকোর্সে ৮ বছর পূর্বে যুবদল নেতা সোহেল হত্যা মামলার রায়ে এক জনের মৃত্যুদন্ড”

প্রকাশিত: ৮:২৮ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২০
মোঃ সাখাওয়াত হোসেন,মুরাদনগর,কুমিল্লা।

“কুমিল্লার রেইসকোর্সে ৮ বছর পূর্বে যুবদল নেতা সোহেল হত্যা মামলার রায়ে এক জনের মৃত্যুদন্ড।

কুমিল্লা নগরীর রেইসকোর্স এলাকার যুবদল নেতা এসএম তৌহিদ সোহেল হত্যা মামলায় একজনকে মৃত্যুদন্ড ও অপর দুই আসামিকে বেকসুর খালাসের রায় দেওয়া হয়েছে।
বুধবার দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক আবদুল্লাহ আল মামুন এই রায় প্রদান করেন। তবে এই রায়ে মামলার বাদী পক্ষ অসন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং বাকি দুই আসামীরও সাজাঁ প্রত্যাশা করেছিলেন। তবে আসামী পক্ষের আইনজীবি ২ আসামীকে খালাস করাতে পেরে রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
মামলা ও বাদী সূত্রে জানা যায়, পূর্ব বিরোধ ও একই দলীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ২০১২ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা রেইসকোর্স এলাকার বাসার নিকটে জেলা যুবদলের প্রভাবশালী নেতা এস এম তৌহিদ সোহেলকে কুপিয়ে হত্যা করে রেইসকোর্স এলাকার মৃত কদম আলীর ছেলে আহসান হাবিব মিঠু । এ ঘটনার পরে তৌহিদ সোহেলের স্ত্রী বদরুন নাহার লুনা বাদী হয়ে যুবদল নেতা আহসান হাবিব মিঠু ও তার ভাই বিএনপি নেতা মোস্তফা জামানের বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার বাদী তৌহিদ সোহেলের স্ত্রী বদরুন নাহার লুনা বলেন, “আমার স্বামীকে হত্যা করেছে আহসান হাবীব মিঠু ও তার ভাই মোস্তফা জামান। এছাড়াও আসামি আহসান হাবিব মিঠু আদালতে শিকারোক্তি দিয়ে ছিলেন তার সহযোগী হাসানও খুনের ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত ছিল। কিন্তু ৮ বছর পর এই রায়ে পালাতক মিঠুকে  সাজাঁ দিয়ে বাকি ২ জন মোস্তফা জামান ও হত্যার ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত হাসানকে বেকসুর খালাস দিয়েছে। এখন বেকসুর খালাস পাওয়া আসামিরা আমারদের জন্য হুমকি হয়ে দাড়াবে। হয়তো কুমিল্লার রেইসকোর্স এলাকায় বসবাস করা আর সম্ভব হবে না। আমরা উচ্চ আদালতে বাকি ২ জনের সাজার জন্য আপিল করব।”
এদিকে, বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দীর্ঘ 8 বছর পর রায় ঘোষণা করা হয়েছে। রায়ে আমরা সন্তুষ্ট নই। আমরা  উচ্চ আদালতে আপিল করব। তবে আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট আলী আক্কাস তিনি এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

Categories