কল্যাণ তহবিলের বিলুপ্তি চাই।

প্রকাশিত: ৬:৪৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৮, ২০২০

যে দেশে অনিয়মই হয় নিয়ম,সে দেশে অসম্ভবই হয় সম্ভব।কি অবাক হলেন ? শিক্ষক কর্মচারীদের চরম আপত্তির পড়েও বিনা সুবিধায় সরকারের উচ্চমহলের সম্মতিতে স্বল্প অনুদান হতে অতিঃরিক্ত ৪% চাঁদা কেটে নেয়া বহাল রাখলো সরকার বাহাদুর ।এরপর আজ পর্যন্ত কোন সুবিধা বৃদ্ধি করা হলোনা।

খুড়া যুক্তি দাড় করালো, স্কেল বৃদ্ধির ফলে শিক্ষকদের কল্যাণের টাকার পরিমান বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই অতিঃরিক্ত টাকা চাঁপ মেটাতেই ৪% কর্তন করা হয়েছে।

আমাকে টাকা দিতে হবে প্রতি মাসে মাসে। যে বা যারা অবসরে যাচ্ছেন তাদের কল্যাণের টাকা ফেরৎ দিতে।শর্ত থাকে যে, আমাকে কোন সুবিধা দেয়া হবে না।

ছবিতে যে স্যারকে দেখতে পাচ্ছেন।উনি হতভাগা অবসরপ্রাপ্ত বেসরকারি প্রধান শিক্ষক আইন উদ্দীন।তিনি তার জীবদ্দশায় তার জমানো টাকা পেতে ব্যর্থ হয়েছেন।টাকার অভাবে তিনি বিনা চিকিৎসায় ধুকে ধুকে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে।

আসল কথায় আসি,যে কল্যাণ তহবিল শিক্ষকদের জীবদ্দশায় কল্যাণ করতে পারেনা। এমন কল্যান তহবিলের দরকার কী?

এই মহামারিতে দশ কেজি চাল নিয়ে কোন অসহায় শিক্ষকের পাশে দাড়িয়েছে এমন নজির আছে কল্যাণ তহবিলের ?আমার জানা নেই।আপনাদের থাকলে বলবেন। তাহলে এমন কল্যাণ হতবিলের দরকার কী?

তাই জোর দাবি জানাই। কল্যাণ তহবিলের বিলুপ্তি চাই।পেনশণ প্রথা চালু চাই।জাতীয়করণের পথ সুগম করতে চাই।
ব্যক্তিগত মতামত
এস,এম,ফরিদ উদ্দীন।
সহকারি শিক্ষক ব্যবসায় শিক্ষা।
মুগদাপড়া কাজী জাফর আহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়।
ঢাকা ১২১৪।


Categories