করোনার প্রতিষেধকের প্রচারনা বন্ধের প্রতিবাদ করায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের মামলা

প্রকাশিত: ১০:১১ অপরাহ্ণ, জুন ১৯, ২০২০

জহিরুল হক, বরগুনা:
বরগুনা প্রেস ক্লাব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগে কটুক্তি করায় বরগুনা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি  মাহবুবুল আলম মান্নুর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে বরগুনা থানায় মামলা করেছে প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবু  জাফর মো: সালেহ। মাহবুবুল আলম মান্নু আমাদের সময়ের বরগুনা জেলা প্রতিনিধি।

জানা গেছে, বরগুনার হোমিও ডাক্তার আবুল কালাম আজাদ কিছু হোমিও ওষুধ নিয়ে পিপিই পরে ৪ জুন বরগুনা প্রেস ক্লাবে হাজির হন। ডাক্তার বলেন, এই হোমিও ওষুধ খেলে করোনা  আক্রান্ত হবে না, তিন দিনে খতম। প্রেস ক্লাবের সভাপতি সঞ্জিব দাস ও সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর মো. সালেহ ওই ডাক্তারকে বিশ্বাস করে তার ওষুধ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ পোষ্ট দেয়। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাদের স্ট্যাট্যাসে আরও উল্লেখ করেন, ডাক্তার আবুল কালাম আজাদের দোকানে করোনার ওষুধ পাওয়া যাবে। ও স্ট্যাট্যাসে মাহবুবুল আলম মান্নু লেখেছেন, বরগুনা প্রেস ক্লাবের কর্ণধারদের কত টাকায় বুকিং করেছে ডাক্তার আজাদ, করোনার ওষুধ পাবলিসিটি করতে। এতে প্রেস ক্লাবের সদস্যরা রুষ্ট হয়ে ১৭ই জুন বরগুনা থানায় মান্নুর বিরুদ্ধে আবু জাফর মোঃ সালেহ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।আর মান্নু ৭ইজুন থানায় মামলা দায়ের করেন, তিনি মামলায় লিখেছেন,  এক ঔষধ অন্য রোগের জন্য দেয়া ও পাবলিসিটি করা বিশেষ আইন, ২৫ গ (ঙ) ধারায় আমলযোগ্য অপরাধ।

আবু জাফর সালেহ সাংবাদিকদের বলেন, বরগুনা প্রেস ক্লাব ঐতিহ্যবাহী আদি সংগঠন।একটি প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে মানহানিকর পোষ্ট দেয়া ঠিক হয়নি মান্নুর।

মাহবুবুল আলম মান্নু সাংবাদিকদের বলেন, হোমিও ওষুধটি নাকি জার্মানির। যদি এই ওষুধে করোনা ভাল হয়, তাহলে জার্মানে করোনায় এতলোক মারা গেল কেন। সরকার অনুমোদন বিহিন ওষুধ প্রেস ক্লাবের কর্তা ব্যক্তিরা বিজ্ঞাপন দিয়েছে। এটা আইনত অপরাধ।আমিও ৭ জুন বিশেষ ক্ষমতা আইনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি। কিন্তু এখনো তা রেকর্ড করা হয় নি, অথচ তাদেরটা রেকর্ড করেছে, ব্যপারটা রহস্য জনক।

বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম অরুন সাংবাদিকদের বলেন, মামলাটি বুধবার রাতে রেকর্ড করা হয়েছে।