“করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে-ভাল্ব আছে এমন মাস্ক পরিধান থেকে বিরত থাকার পরামর্শ”

প্রকাশিত: ৯:১২ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১২, ২০২০

            ভাল্বসহ মাস্ক পরিধান করতে মানা করলো সিডিসি

যেসব মাস্কে ভাল্ব আছে সেগুলো সাধারণত হাঁচি-কাশির ড্রপলেট ভাল্বের ফুটোর মাধ্যমে বের করে দেয়। এতে করে কার্যকরভাবে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ করা হয় না।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক দ্য ইউএস সেন্টার অব ডিসিজ (সিডিসি) করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ব্যবহৃত মাস্কের নতুন একটি নীতিমালা প্রকাশ করেছে। ভাল্ব আছে এমন মাস্ক পরিধান থেকে সবাইকে বিরত থাকার নির্দেশনা দিয়েছে সংস্থাটি।

ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ার শুরু থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের বিশেষজ্ঞরা মানুষকে মাস্ক পরিধানের পরামর্শ দিয়ে আসছেন। তাদের মতে, ক্ষুদ্র এই প্রচেষ্টাই ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব কমিয়ে আনতে সক্ষম।

এ প্রসঙ্গে সিডিসি বলছে, মাস্ক ব্যবহারের মূল কারণ হলো হাঁচি-কাশির মাধ্যমে বের হওয়া ড্রপলেটের ছড়িয়ে পড়া থামানো। যেসব মাস্কে ভাল্ব আছে সেগুলো সাধারণত হাঁচি-কাশির ড্রপলেট ভাল্বের ফুটোর মাধ্যমে বের করে দেয়। এতে করে কার্যকরভাবে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ করা হয় না। কারণ একজন করোনা আক্রান্ত রোগী এসব মাস্ক পরে কোনোভাবেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া আটকাতে পারবেন না।

face mask02এন৯৫ মাস্ক

করোনার এই ক্রান্তিকালে বিশ্ববাসী বিভিন্ন ধরনের মাস্কের সঙ্গে পরিচিত হয়েছে। কাদের কোনো মাস্ক ব্যবহার করতে হবে, সিডিসির পক্ষ থেকে সে সম্পর্কিত নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। এপ্রিলের দিকে তারা বলেন, হাসপাতাল ও চিকিৎসাক্ষেত্রের সঙ্গে জড়িত নয়, এমন ব্যক্তিরা কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। সেইসঙ্গে সবাইকে সামাজিক দূরত্বও বজায় রাখতে হবে।

সিডিসির মতে, সাধারণ কাপড়ের তৈরি মাস্কের ব্যবহারেই করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ধীরগতির করা সম্ভব। কিন্তু শর্ত হলো সবাইকে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। যদি আমরা সবাই মাস্ক পরিধানের বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারি তাহলে অবশ্যই ভাইরাসটির সংক্রমণের হার উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা সম্ভব।


Categories