কবি আল মাহমুদের জন্মদিন উদযাপন : ব্রাহ্মণবাড়িয়া – গৌরবে সৌরভে।

প্রকাশিত: ৪:৩৮ অপরাহ্ণ, জুলাই ১১, ২০২০

আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অহংকার কবি আল মাহমুদের ৮৪ তম জন্মজয়ন্তী ১১ জুলাই ২০২০। কবি তার অনবদ্য শব্দ শিল্পের গাঁথুনিতে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন।  তিনি অংশ গ্রহন করেছেন মহান মুক্তিযোদ্ধে। তৎকালীন পাকিস্তানি  স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধেও তার কলম চলেছে বীরদর্পে। পেয়েছেন বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার ( ১৯৬৮)  এবং একুশে পদক ( ১৯৮৬) সহ আরো অনেক পদক, পুরস্কার ও সম্মাননা।

তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক ছিলেন।বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়াংশে সক্রিয় থেকে তিনি আধুনিক বাংলা কবিতাকে নতুন আঙ্গিকে, চেতনায় ও বাক্‌ভঙ্গীতে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ করেছেন।

অাজ ১১ জুলাই তার জন্মদিন উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংসস্কৃতিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহন করেছে।

এ উপলক্ষে কবির গৌরবময় সৃষ্টিকর্ম ও তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অন্যতম সেরা ফেইসবুক পেইজ ” ব্রাহ্মণবাড়িয়া –  গৌরবে সৌরভে ” বেশ কিছু কর্মসূচী গ্রহন করছে।

পেইজের প্রতিষ্ঠাতা ও চীফ এডমিন,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রনালয়ের উপসচিব জনাব মো. জেহাদ উদ্দিন জানান, ” তারা কবির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আল মাহমুদ সপ্তাহ  (৪-১১ জুলাই) ২০২০ ঘোষণা করেছেন।”

তিনি অারো বলেন, আল মাহমুদ সপ্তাহ ২০২০ উপলক্ষে আমাদের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে:

১. কবি আল মাহমুদের সৃষ্টিকর্ম, জীবন ও জীবন দর্শন নিয়ে এই গ্রুপের সম্মানিত সদস্যগণ তাঁদের মূল্যবান লেখা, ছবি পোস্ট করবেন। নির্বাচিত লেখার উপর আকর্ষণীয় পুরস্কার প্রদান।

২. সকলের জন্য উন্মুক্ত একটি কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন যেখানে কবি সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন থাকবে। এক কথায় উত্তর লিখতে হবে। এই ক্ষেত্রেও বিজয়ীগণের জন্য থাকবে আকর্ষণীয় পুরস্কার।

৩. ১১ জুলাই ২০২০ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মৌড়াইলে এডমিনদের একটি অংশ কবির কবর জিয়ারত করবেন।

৪. এডমিন প্যানেলের  অারেকটি অংশ ১১ জুলাই ২০২০ ঢাকায় কবির পরিবারের সদস্যগণের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করবেন।

কবির সৃষ্টিকর্ম  নিয়ে অনুভুতি ব্যক্ত করতে গিয়ে জনাব মো. জেহাদ উদ্দিন বলেন, “কবি আল মাহমুদ মানুষের কবি, বাংলা ভাষার কবি, ভাষা আন্দোলনের কবি, মহান মুক্তিযোদ্ধা কবি। বাংলা ভাষাকে তিনি যা দিয়ে গেছেন সেই ঋণ এ জাতি কোনদিনও শোধ করতে পারবে না। যতদিন বাংলা ভাষা ও সাহিত্য থাকবে ততদিন আল মাহমুদ নামক নক্ষত্রটি জ্বল জ্বল করবে। তাঁর উজ্জ্বলতা কোনদিন ম্লান হবে না, কেউ ম্লান করতে পারবে না।”