এ এস আই হত্যার অাসামি ‘মামুন’ বন্দুক যুদ্ধে নিহত

প্রকাশিত: ১২:৫৫ অপরাহ্ণ, জুলাই ২০, ২০২০

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এ এস আই হত্যার প্রধান আসামি চান্দপুর গ্রামের মুছার মিয়ার ছেলে মামুন র‍্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন।

র‍্যাব সুত্রে জানা যায়, আসামি মামুনকে ধরতে তাদের  একটি দল গত রাতে (২০ জুলাই) চান্দপুর বাজারে অভিযান চালায়।  র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মামুন বাহিনী গুলি চালায়।এসময় আত্মরক্ষার্থে র‍্যাবও পাল্টা গুলি চালালে মামুন গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তাকে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে কতর্ব্যরত চিকিৎসক  মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি ও একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়। নিহত মামুনের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য গত ১৭/০৭/২০২০খ্রি. ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় কর্মরত এএসআই(নিঃ) আমির হোসেন সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ অস্ত্র, মাদক ও ডাকাতি মামলার পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামী মামুন মিয়া (২৮), পিতা-মুসা মিয়া, সাং-চান্দপুরকে পাঘাচং বাজার হতে গ্রেফতারের সময় ধস্তাধস্তিকালে আসামীর কোমরে থাকা ছুরি দ্বারা আমির হোসেনের বুকের বাম পাশে ও বুকের মাঝ খানে আঘাত করে গুরুতর জখম করে ঘটনাস্থল হতে দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় এএসআই আমির হোসেনকে তাৎক্ষনিক চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।

গত ১৮/০৭/২০২০খ্রি. সকাল ১০.০০ ঘটিকায় পুলিশ লাইন্স মাঠে মৃত এএসআই আমির হোসেন এর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মৃতের জানাজার নামাজে পুলিশ সুপার ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ জেলার উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ লাইন্স ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জানাজার নামাজ শেষে পুলিশ স্কটের মাধ্যমে লাশ মৃতের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ডিয়ারচর গ্রামে পৌছানো হয়। সেখানে মৃতের দ্বিতীয় জানাজার নামাজ শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবার কবরের পাশে দাফন করা হয়।


Categories