এম পি ও’র দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অানার্স-মাস্টার্সে পাঠদানকারী শিক্ষকদের মানববন্ধন।

প্রকাশিত: ৮:০৫ অপরাহ্ণ, জুলাই ১২, ২০২০

মো.আশরাফুল লতিফ (তুহিন),ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

জাতীয় বিশ্বববিদ্যালয়ের অধীনে বেসরকারি এম পি ও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনার্স-মাস্টার্সে পাঠদানকারী শিক্ষকরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর ডিগ্রী কলেজের সামনে এম পি ও ভুক্তির দাবী অাজ দুপুরে  এক মানববন্ধন কর্মসূচীর পালন করেছে। মানববন্ধনের আয়োজন করে বাংলাদেশ অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষক ফোরাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখা।

স্বাস্হ বিধি মেনে সীমিত পরিসরে এই মানববন্ধন কর্মসূচীতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকগণ চলতি বাজেটেই তাদেরকে জনবল কাঠামোতে অন্তর্ভুক্ত করে এম পি ও প্রদানের জোর দাবী জানান।

সংগঠনের জেলা সভাপতি মোহাম্মদ বকুল মিয়া হাজারীর সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক রাসেল মাহমুদের পরিচালনায় এসময় বক্ত্যব্য রাখেন সহসভাপতি আব্দুল বাতেন, সুমী অাক্তার,যুগ্ন সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, প্রভাষক মো.কাউছার মিয়া,উমর ফারুক রাসেল ও মো. মনির হোসেন প্রমুখ।

জেলা সভাপতি তার বক্ত্যব্যে বলেন, ” আমরা দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা গ্রহন করে সরকারি বিধি মোতাবেক নিয়োগ প্রাপ্ত হয়েছি। কিন্তু কলেজ থেকে প্রাপ্ত অতি অল্প বেতনে চাকুরী করে মানবেতর জীবন যাপন করছি। আবার করোনার এই সংকটকালীন সময়ে অনেক প্রতিষ্ঠান সময়মতো বেতনও দিতে পারছেনা।তাই, অামরা এম পি ও ভুক্তির বিষয়ে মানবতার মা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র কাছে আকুল আবেদন জানাই।”

কর্মসূচীতে অংশগ্রহনকারী, সংগঠনের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক  মো. কাউছার মিয়া’র সাথে এ বিষয়ে কথা হয়।তিনি  বলেন, ” উচ্চ শিক্ষায় অবদান রাখা শিক্ষকদেরকে নন-এমপিও করে রাখার বিষয়টি একান্তই অমানবিক ও দুঃখজনক। সরকার ইতিমধ্যেই কয়েক হাজার  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নতুন এম পি ও ভুক্ত করেছে। এপর্যন্ত কয়েকবার জনবল কাঠামো ও এম পি ও নীতিমালা পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু আমাদেরকে বারবারই উপেক্ষা করা হয়েছে। তাই, আমাদের এম পি ও ভুক্তির বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাই একমাত্র ভরসা।


Categories