এমপিওভুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণে বেশি উপকৃত হবে আমজনতা

প্রকাশিত: ৯:৩৬ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২২, ২০২০

বাঙালির বাতিঘর, প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম , তুমি জন্মেছিলে বলে জন্মেছে এই দেশ মুজিব তোমার আরেক নাম বাংলাদেশ। আর বৈষম্যহীন শিক্ষা , যা জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল। শহর,বন্দর,গ্রাম, গঞ্জের শিক্ষার্থীরা একই সুবিধা, একই বেতনে লেখাপড়া করতে পারে।শিক্ষকসম্প্রদায় আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা ভোগ করতে পারবেন। টেকসই ও একমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা চালু হবে। অভিভাবকগণ স্বল্প খরচে সন্তানদের লেখাপড়া শেখাতে পারবেন। শিক্ষার হার ও শিক্ষার গুনগত মান বৃদ্ধি পাবে। শিক্ষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উপর অযাচিত রাজনৈনিক হস্তক্ষেপ মুক্ত হবে
।পঠনপাঠনে শিক্ষকের আন্তরিকতা বৃদ্ধি পাবে। মন্ত্রণালয়, অধিদফতর, পরিদপ্তর ইত্যাদির ১০০% কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে। পাঠদানের সাথে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।দক্ষ মানব সম্পদ সৃষ্টিতে ১০০% কার্যকর হবে জাতীয়করণ।

তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো জাতীয়করণ করা হলে সরকারের এক টাকাও বাড়তি খরচ হবে না। বরং বছরে ৮০ কোটি টাকা সরকারি তহবিলে জমা হবে। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ হলে সরকারের বছরে ১ হাজার ৮২০ কোটি টাকা খরচ হতে পারে। অন্যদিকে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের বর্তমানে সরকার থেকে বেতন বাবদ ১২ হাজার কোটি টাকা দেয়া হয়। চাকরি জাতীয়করণ হলে সরকারকে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি, চিকিৎসা ভাতা, বাড়ি ভাড়া, উৎসব ভাতার জন্য অতিরিক্ত দিতে হবে ৫ হাজার ৮২০ কোটি টাকা। বিপরীত দিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সরকারের বছরে আয় হবে ৫ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। সেই বাকি শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণ হলে ৮০ কোটি টাকা সরকারের সাশ্রয় হবে।
তাই, জাতিরজনকের সুযোগ্য কন্যা,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনার একটি ঘোষণাই পারে মুজিব শতবর্ষে জাতিকে শিক্ষাব্যবস্থা “জাতীয়করণ” উপহার দিতে।
সেই জন্য প্রতিষ্ঠানের আয় জমা নিয়ে, মুজিব বর্ষে এমপিওভুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণ চাই।
মো : তোফায়েল সরকার
যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক
বাংলাদেশ বেসরকারী শিক্ষক কর্মচারী ফোরাম, কেন্দ্রীয় কমিটি।


Categories