একটি সোনালী ভোরের প্রত্যাশায়।

প্রকাশিত: ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ৫, ২০২০

“একটি সোনালী ভোরের প্রত্যাশায়”     মো. সাইফুল ইসলাম

 

সুজলা শ্যামলা আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমিবাংলাদেশ  এদেশে ভোরে গাছে গাছে পাখিরকলকাকলীতে মানুষের ঘুম ভাঙে  পূর্বাকাশে সূর্যউঠার আগেই কৃষক মাঠে ফসল ফলাতে যায়  চারদিকে অবারিত মাঠ , ফসলের সমাহার দূর থেকেদেখে চোখ জুড়িয়ে যায়  গাছে গাছে সুমিষ্টি স্বাদেরনানান মৌসুমি ফলের সমাহার।  বাগানে বাগানেরঙবেরঙের ফুলের সুবাসে মন জুড়িয়ে যায়  প্রকৃতিখেলা করে ষড় ঋতু নিয়ে  মাঘ মাসে যেমন কনকনে ঠান্ডা ঠিক চৈত্রে তার উল্টো কাঠ ফাটাগরম  আষাঢ়ে খাল বিল পানিতে থৈ থৈ আবারফাগুনে গাছে গাছে নতুন কুঁড়ি ফোটার  অপরুপসৌন্দর্য্য  ভাদ্রে তাল পাকা গরমে অতিষ্ট যেমনজনজীবন,  তেমনি শরতের কাশ ফুলেরনয়নাবিরাম  সৌন্দর্যে  হৃদয় জুড়ায় কোটি বাঙালীর।এমন বৈচিত্রময় ঋতুর খেলা করে চলেছে  হাজারবছর ধরে  আমাদের এই গ্রাম বাঙলায়  রুপকথারপরতে পরতে শুধুই এমন বিস্ময় আর প্রাণ জুড়ানোঅপরুপ সৌন্দর্যে  ভরা  আমাদের এই প্রানের ছোট্টদেশটির  বিশ্ব বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতার মতেএই বাংলায় মাঠ ভরা ফসলগোয়াল ভরা গরু আরপুকুর ভরা মাছ ছিলো  শিল্পসাহিত্যসংস্কৃতিতেবাঙালির ইতিহাস হাজার বছর থেকেই ছিল সম্মৃদ্ধ।ভাওয়াইয়াপল্লীগীতিনজরুলগীতিরবীন্দ্রসংগীত,লোকসংগীত,  গাম্বিরাপালাগান,  হাছন রাজারগানের মতো বিশেষ কথা  সুরের গান বাঙলা বাঙালীকে করেছে সম্মৃদ্ধ   রবি ঠাকুরের শান্তিনিকেতন থেকে ভেসে আসা “আমরা সবাই রাজাআমাদের এই রাজার রাজত্বে ”  রাজা প্রজার এমনশান্তির বার্তা পৌছাতো বাঙলার পাড়া মহল্লায়  আরযখনি কোন অত্যাচারিদের অশুভ বিষ তীর বাঙলা বাঙালির অস্থিত্বে নিষ্ঠুর  আঘাত এনেছে তখনিবাঙালি নজরুলের অগ্নিবীণা দিয়ে প্রতিরোধ করে বারবার  রুখে দাড়ানো বীর বাঙ্গালীর অস্থি মজ্জারস্বভাব  বাঙালীর হৃদয়ে মানব ধর্মের লালন থেকেনজরুলের সাম্যবাদের বসবাস।

 

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনকবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে  মাত্র নয়মাস রক্তক্ষয়ী সংগামের মাধ্যমে ত্রিশ লক্ষ জীবনেরবিনিময়ে অর্জিত লাল সুর্যের দেশে নানা বর্ণের,ধর্মেরজাতির মানুষ বসবাস করি হাতে হাত রেখেআর কাঁধে কাধ মিলিয়ে  সিডর আয়লার মতোপ্রাকৃতিক দূর্যোগ আমাদের কিছুটা মজকাতেপারলেও কোনটাইআমাদের ভাঙতে পারেনি।ইস্পাতের মতো শক্ত মজবুত আমাদের মনোবল।বারবার দূর্যোগ এসেছে , যুদ্ধ করেছি বাঙালী কাঁধেকাঁধ মিলিয়ে। প্রতিবার আমাদের জয় হয়েছে আমরা বীর বাঙালি হারার আগে হারতে শিখিনী।ষড় ঋতুর প্রাকৃতিক রঙ পাল্টানোর খেলা দেখতেদেখতে শিখে নিয়েছি রঙ পালটিয়ে করা প্রাকৃতিকদূর্যোগের আঘাত মোকাবেলার কৌশল। তাইতোহাজার বছর ধরে আমরা ভাতৃপ্রতীম মমত্ত্ববোধেরসমাজে সহজ সরল জীবন যাপন করছিআতিতেয়তার স্বর্গ রাজ্যে।

 

 সময় অনেক বয়ে গেছে  আমাজান থেকেযমুনাফোরাত থেকে সুরমানাম না জানা হাজারহাজার নদী  জলপথ দিয়ে গড়িয়ে গেছে অনেকজলরাশি।  পাল্টিয়েছে পৃথিবীর জলবায়ু আর ভূপ্রকৃতি। প্রাকৃতিক আঘাতে পাল্টিয়েছে পৃথিবীরআকারও। পাল্টিয়েছে প্রকৃতির আঘাতের ধরন।কিন্তু থেমে থাকেনি মানব জাতি। তারা সাগরেরতলদেশ থেকে শুরু করে  মহাকাশ জয় করেনিয়েছে। আকাশ এখন মানুষের নতুন বসতি। আরবিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আমরা  থেমে নেই।বর্তমান মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সরকার বঙ্গবন্ধু কন্যশেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি অসাম্প্রদায়িকক্ষুধা দারিদ্র মুক্ত দেশ গড়তে কাজ করে যাচ্ছে। দেশআজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পুর্ন  শহরের সাথে তাল মিলিয়েগ্রামকেও আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। তাই দেশেবিদ্যুতায়নের কাজ প্রায় শতভাগ শেষ।  রুপকল্প২০৪১ বাস্তুবায়নের লক্ষে প্রথমেই দেশকে ডিজিটালবাংলাদেশ রুপান্তরের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।শহরের রাস্তাঘাট হচ্ছে আধুনিকায়ন  টেকশয়।সারাদেশে যোগাযোগ ব্যাবস্থা উন্নয়নের লক্ষে তৈরিহয়েছে মহাসড়ক। নতুন নতুন রেললাইন  অনেকজায়গায় ডাবল রেললাইন হচ্ছে। নদী পথ শাসনহচ্ছে। সরকার বেশ কিছু মেগা প্রকল্পের কাজচালিয়ে যাচ্ছে। যেমন– পদ্মা সেতুর নির্মাণকর্ণফুলীনদীর নিচে টানেল নির্মাণপারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্রস্থাপনমেট্রোরেলের মতো মেগা প্রকল্পের কাজএগিয়ে যাচ্ছে বিদ্যুত গতিতে। আকাশ সংস্কৃতিশাসনের জন্য আমাদের আছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটনামে নিজস্ব স্যাটেলাইট  বিশ্ব রাজনীতিতেওআমাদের আজ সরব পদচারণা। তাইতো বর্তমানসরকার অনেক দিনের অমিমাংসিত সমস্যা সমাধানকরে সমুদ্র জয় করতে সক্ষম হয়েছে। সর্বোপরিসরকার প্রধানের বিচক্ষনতায় উন্নয়নশীল দেশ থেকেমধ্যম আয়ের দেশে উন্নিত হয়েছি।

 

সবে মাত্র আমরা বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়েউন্নত দেশের স্বপ্নে বিভূর হচ্ছিলাম। ঠিক তখনকরোনা নামক এক পিচ্চি শত্রু ভয়াবহ ভাবে আঘাতকরে শুরুতেই আমাদের সামাজিকঅর্থনৈতিক ব্যাবস্থাকে হুমকির সম্মুখীন ফেলে। বিশ্বজয়ীকরোনার নিষ্ঠুর আঘাত থকে রেখায়  পাচ্ছেনাজোয়ান বুড়ো থেকে শুরু করে  নারী শিশু। না গ্রামনা শহর। তার ছোবলে কপোকাত হচ্ছে সাধারনমানুষ থেকে শুরু করে সম্মুখ যুদ্ধা ডাক্তারনার্স,পুলিশর‌্যাবব্যাবসায়ীউচ্চ পদস্থ সরকারিকর্মকর্তাজনপ্রতিনিধি এবং মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবৃন্দ এমন কি তাদের স্ত্রী সন্তান। এলোমেলো করেদেয় রাষ্ট্রের সকল সামাজিক  প্রশাসনিক ব্যাবস্থা 

 

আর তখনই সরকার প্রধান শক্ত হাতে হালধরেন করোনা রুখতে  করোনা যেহেতু ছোয়াছেরোগ তাই এর প্রধান প্রতিরোধক ব্যাবস্থা হচ্ছে দূরত্ববজায় রাখা। তাই সরকার সারা দেশে  লাকডাউনেরসিদ্ধান্ত নেয়। আর লকডাউনের প্রথম দিন থেকেইস্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য সেনা বাহিনীমোতায়ন করেন। যা সকল মহলে প্রশংসিত হয়।অর্থনীতিকে সচল রাখতে রাষ্ট্রের  এমন কোন খাতনাই যেখানে সরকার চাহিদা মতো পদক্ষেপ নেয়নি।আর এই জন্য সরকার প্রায় চার কোটি মানুষকেত্রানের আওতায় এনেছে। বিভিন্ন ব্যাবসা  শিল্পপ্রতিষ্টানের জন্য দিয়েছে আর্থিক প্রনোদনা। বিভিন্নশ্রেণী   পেশাজীবি মানুষের চাহিদা বুঝে তালিকাকরে আর্থিক সহযোগিতার ব্যাবস্থা করেছেন।এনজিও এবং ব্যাংক লোনের কিস্তি স্থগিত করেছে আমরা দেখেছি কিভাবে ডাক্তারপুলিশর‌্যাব,বিজিবিআনসার  জনপ্রশাসনকে সাথে নিয়েসেনা বাহিনীর সুশৃঙ্খল ভাবে লকডাউন কার্যকরকরেন।  ফলে আমাদের দেশে করোনা শুরুতে মরনছোবল মারতে পারেনি। কিন্তু সেতো করোনা যারপরিচয় কোভিট১৯। জন্ম চীন দেশে। এই ভাইরাসচীনের  হুবেই প্রদেশের উহান শহরে  জন্ম নিয়েতাদের পাড়ামহল্লা থেকে শুরু করে গ্রামের পর গ্রামতছনছ করে গোটা প্রদেশটাতে ধবংস লীলা চালিয়েসদর্পে দেশের সীমানা পেরিয়ে পাশের দেশে আঘাতকরে বসে। শুধু তাইনাকরোনা দেশের পর মহাদেশেআক্রমণ করে স্বমিহিমায়। তার আক্রমণ এত তীব্র হিংস্র যে তার আঘাতে পুরো মানবজাতি হতবিহবলহয়ে পরে। 

 

বর্তমানে করোনার দখলে আছে প্রায় ২১৪টির বেশি দেশ  অঞ্চল। মানব বসবাসের পৃথিবীনামক একমাত্র গ্রহটিতে প্রায় সব মানুষ ঘর বন্ধি যে রাষ্ট্র গুলো তৃতীয় বিশ্বের মাথার উপর ছুড়িঘুরাতো তারাও আজ করোনার কাছে অসহায়আত্মসমর্পন করছে।  দেশে দেশে নানা বর্ণের,জাতির মানুষের আচারআচরনখাবার জীবনযাপনের কতোইনা পার্থক্য কিন্তু করোনার বিচরনসর্বত্র সমান আগ্রাসী  অপ্রতিরুদ্ধ। এখন পর্যন্তস্বপ্নের দেশ আমেরিকায় মৃত্যুর সংখ্যায় সর্বোচ্চ।সেটা প্রায় সোয়া লক্ষাধিক। বিশ্ব মোড়লদের দেশকে করোনা মৃত্যুপুরী বানিয়ে দিয়েছে। বাবুদেরদেশ  ইউরোপের আধুনিক নগর গুলোর হোটেলবাররেস্তোরাএমনকি ব্যাবসায়ী প্রতিষ্টান যেগুলোর  সূর্যের আলোর আর নিয়ন আলোর প্রার্থক্যবুঝতে  অনেক  পর্যটকদের কষ্ট হতো। সেই সব নগরআজ সন্ধ্যা হলেই ভূতের রাজ্যে রুপ নেয়। আমাদেরপ্রতিবেশী বন্ধুদেশ ভারতে একদিনে মৃত্যুর সংখ্যা দুইসহস্রাধিক। যা আমাদের জন্য সবচেয়ে বেশি চিন্তারকারন। বিজ্ঞানের উতকর্ষ সাধনের ফলে যারাবিস্ময়কর চিকিৎসা  ব্যাবস্থা গড়ে তুলেছিল  তৃতীয়বিশ্বের মানুষ মনে করতো তাদের হাসপাতাল আরডাক্তারের কাছে যেতে পারলে যমদূত রোগীরধারেকাছেও ঘেষতে পারে না। সেই সব দেশ আজকরোনার হাত থেকে বাচঁতে আকাশের কাছে সাহায্যচাচ্ছে।

 

সেখানে বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের দেশ।প্রযুক্তির ব্যবহারে দারুন এক্সপার্ট হলেও আধুনিকসকল প্রযুক্তির যন্ত্রপাতির এখনো যে চোখেইদেখেনি   আধুনিকতার ছোঁয়া শহর থেকে গ্রামসর্বত্র লাগলেও আমাদের চিকিতসা ব্যাবস্থাবিশ্বমানের সাথে মিলালে এখনো আতুর ঘরে। তবেআমাদের রয়েছে এক দল নিবেদিত প্রাণ স্বাস্থ্যসেবক। ডাক্তারনার্সস্বাস্থ্যকর্মী পর্যাপ্ত থাকলেওনেই করোনা চিকিতসার প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি। কিন্তুথেমে নেই সম্মুখ যোদ্ধা ডাক্তার নার্স থেকে শুরু করেপুলিশর‌্যাববিজিবিসেনাবাহিনীকোস্ট গার্ড এবংসিভিল প্রশাসন। মাঠ পর্যায়ে নেটওয়ার্কের মতোজনবল নিয়োজিত রেখে কাজ করে যাচ্ছে প্রশাসন।করোনা বিষয়ে সর্বদা সদা ততপর প্রশাসনের উচ্চমহল। শুরু থেকেই আমাদের সম্মুখ যুদ্ধারা দিনরাতকাজ করে যাচ্ছে জীবন বাজি রেখে  তাইতোঅনেক উন্নত দেশে করোনা মহামারি রুপ নিতেপারলেও কিন্তু করোনা আমাদের দেশে অনেকটাইনিয়ন্ত্রানাধীন। এখন দরকার মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনেরসাথে আমাদের সাধারন জনগনের সহযোগিতা।এখনই সময় জনগনের সচেতন হওয়া। না হলেসরকারের সকল প্রচেষ্টা বৃথা যাবে। করোনা যুদ্ধেজয়ী হতে হলে প্রত্যেক জনগনকে সরকারের সকলনির্দেশনা শতভাগ মানতে হবে। করোনা ভাইরাসেরহিংস্র থাবার আক্রমণের ভয়াবহতা  বিচরন বৈশিষ্ট্যসম্পর্কে সঠিক ভাবে জানতে হবে  এর জন্যসরকার দেশের সকল ইলেকট্রনিক্স  প্রিন্টমিডিয়ার মাধ্যমে দিনরাত প্রচার করে যাচ্ছে কার কিকরণীয়  আমাদের কে এখন ঘরে থাকতে হবে।মানতে হবে স্বাস্থ্য বিধিমালা শক্ত ভাবে। বিশেষপ্রয়োজনে বাহিরে গেলে অবশ্যই মাক্স পরিধানকরতে হবে। হাঁচিকাশি শিষ্টাচার মানতে হবে।যত্রতত্র থুতু বা ব্যবহৃত টিস্যু ফেলা যাবে না। বাহিরেগেলে অবশ্যই অবশ্যই একমিটার বা তিন ফুটদুরত্বের বিধি মানতে হবে। বারবার হাত ধোয়ারঅভ্যাস করতে হবে। করোনা আক্রান্ত লোকেরসংস্পর্শে এলে বা বিদেশ ফেরত ব্যাক্তি হলে তাকেঅবশ্যই চৌদ্দ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইন পালনকরতে হবে। যদি করোনা উপসর্গ দেখা দেয় তাহলেসাথে সাথে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। মানতেহবে স্বাস্থবিধি। কতৃপক্ষের কাছে অবশ্যয় কোন তথ্যলোকানো যাবেনা  উপসর্গ কয়েক দিন স্থায়ী হলেবিধি মেনে করোনা টেস্ট করাতে হবে। মানতে হবেপ্রয়োজনীয় নির্দেশিনা। আর এই জন্য সরকারনির্ধারিত কিছু হট লাইন চালো রাখছেন ২৪ ঘন্টা।তা হলো ৯৯৯১৬২৬৩১০৬৫৫। এই সময় পুরোবিশ্ববাসী ঘর বন্ধি। তাই আমাদেরকেও হতে হবেঅতি সাবধানী  সচেতন। বিশেষ ভাবে যেটাসবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তা হলো সকলের জীবনযাত্রার অভ্যাস বা ধরন পাল্টাতে হবে। আমাদেরপরিহার করতে হবে অপব্যায়  হতে হবে মিতব্যায়ী।পারিবারিক জীবন উপভোগ করতে হবে। পারিবার কর্মক্ষেত্রে হতে হবে সহনশীল  ধৈর্য্যশীল।নিজের  পরিবারের সকলের স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষযত্নশীল হতে হবে।  বয়স্কদের প্রতি রাখতে হবে বিশেষ যত্ন। সাধ্যমতো সুষম খাবার খাওয়ার চেষ্টাকরতে হবে। গণপরিবহনে চলা পরিহার করতে হবে।জনসমাগম থকে দূরে থাকতে হবে। আশেপাশেরমানুষকে সাধ্যমতো সাহায্যের মানসিকতা গড়েতুলতে হবে  সরকারি বিশেষ সুবিধা ভোগেরপাশাপাশি সরকারি নির্দেশনা মানতে হবে। তাহলেইআমরা পারবো করোনা মহামারি থেকে আমাদেরদেশকে রক্ষা করতে। 

 

আর এই কাজটিকে যদি সাধারণ মানুষসহজ ভাবে মেনে নিয়ে কঠোর ভাবে পালন করেতাহলে সেই দিন আর বেশি দূরে না যেদিনবাংলাদেশের মানুষ আবার আগের মতো সকল কিছুফিরে পাবে। মুক্ত আকাশের নির্মল বাতাসে শ্বাসনিতে পারবে। মানুষ ফিরে পাবে কর্মচঞ্চল জীবন। 

 

 Md. Saiful Islam          AssistantTeacher(Physical Science)

           Dhubarhat Bazar High School

           Sreemangle , Moulvibazar.

            Phone- 01716-773618

লেখকশিক্ষক  কলামিস্ট