“উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান  প্রধানের হাতে ”হে স্বাধীনতা” কাব্যগ্রন্থ”

প্রকাশিত: ৬:৫৮ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৯, ২০২০
মোঃ রফিকুল ইসলাম, মহাদেবপুর প্রতিনিধিঃ

উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান  প্রধানের হাতে  “হে স্বাধীনতা” কাব্যগ্রন্থ।

উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠিান আল জামিআ আল আরাবিয়া দারুল হিদায়াহর মহাপরিচালক আলহাজ্ব মাও.শাহ্ শরীফুদ্দীন চৌধুরীর হাতে কবি তাঁর কাব্যগ্রন্থ ”হে স্বাধীনতা” তুলে দিচ্ছেন।
আল-জামিআ আল-আরাবিয়া দারুল হিদায়াহ নওগাঁ জেলার পোরশা উপজেলার পোরশা গ্রামে প্রায় ৯ বিঘা স্থান জুড়ে এই প্রতিষ্ঠানটি ১৩৬৬ হিজরী মোতাবেক ১৩৫৩ বাংলা,  ১৯৪৬ ইং স্থাপিত হয়।
প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব তত্ত্বাবধানে প্রায় ১,৫০০শ বিঘা ভূমি সম্পদ আছে এবং সমস্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বছরে প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যয় হয়। ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠানটিতে শুধুমাত্র আবাসিক ছাত্রই ছিল ১,১০০ জন। প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব ভূমি থেকে প্রাপ্ত অর্থ ও এলাকার সর্বসাধারণের আর্থিক সহযোগিতায় মাদ্রাসার প্রায় ৫৭ জন শিক্ষক ও ১৮ জন কর্মচারীর বেতনভাতা এবং অন্যান্য ব্যয় বহন করা হয়। মোট ছাত্র সংখ্যা ১৩০০ জন।
মোট ৮ টি বিভাগে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সেগুলো হলো নজরানা (মকতব) বিভাগ, হিফ্জ খানা বিভাগ, কের’আত খানা বিভাগ, কিতাব খানা বিভাগ, তাফসীর বিভাগ, আদব বিভাগ, উলূমুল হাদীস বিভাগ ও ইফ্তা বিভাগ। ১৯৯৮ সালে মাদ্রাসা শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য নওগাঁ এবং নওগাঁর পার্শ্ববর্তী এলাকার সকল কওমী মাদ্রাসা নিয়ে একটি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড গঠন করা হয় যা ইত্তেফাকুল মাদারিস আল আরাবিয়া আল কওমিয়া, নওগাঁ, বাংলাদেশ নামে পরিচিত।
বোর্ডটির প্রধান কার্যালয় ছিল  এই মাদ্রাসাটি। এই বোর্ডের আওতাভুক্ত মাদ্রাসাগুলো প্রধান কার্যালয়ে; মাদ্রাসা শিক্ষার মানোন্নয়ন, মাদ্রাসার সার্বিক উন্নতি ও ছাত্র-শিক্ষকদের সর্বপ্রকার সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এই বোর্ডের মাধ্যমে অধীনস্থ মাদ্রাসাগুলো নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরিচালনাও করা হয়।  জামিয়ার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য –ইলমে দ্বীন পিপাসু ছাত্রদের শিক্ষা দীক্ষার সাথে সাথে বিশুদ্ধ তাওহীদ, সুন্নাতে রাসুল (সাঃ) এর অনুসরণ, আল্লাহর সাথে সম্পর্ক স্থাপন এবং তাবলীগে দ্বীনের সত্যিকার মুবাল্লিগ করে গড়ে তোলা, তৎসহ এলাকার যতাসম্ভব দ্বীনি পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করা, সর্বোপরি আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি অর্জন করা।
আজ বুধবার (১৯ আগস্ট)  ওই ঐতিহ্যবাহী ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠিান সফরকালে সাংবাদিক ও কবি মো.আককাস আলী আল জামিআ আল আরাবিয়া দারুল হিদায়াহর মহাপরিচালক আলহাজ্ব মাও.শাহ্ শরীফুদ্দীন চৌধুরীর হাতে তাঁর কাব্যগ্রন্থ ”হে স্বাধীনতা”  তুলে দেন এবং এই প্রবীণ মুরব্বীর দোয়া নেন। তিনি কবিকে দোয়া করেন এবং তাঁর কাব্যগ্রন্থের সফলতা কামনা করেন।

Categories