উচ্চতর স্কেল প্রদানে নতুন বৈষম্যের সৃষ্টি

প্রকাশিত: ৯:২৮ অপরাহ্ণ, জুলাই ২১, ২০২০
bty

মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকগণ বিএড স্কেল প্রাপ্তিতে ১০ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্য হবেন বলে অর্থমন্ত্রণালয় একটি স্পষ্টীকরণ পত্র দিয়েছে। অর্থমন্ত্রণালয়ের স্পষ্টীকরণ পত্রে পূনরায় বৈষম্যের সুর। শিক্ষাগত যোগ্যতার স্কেল টাইমস্কেল হয় কীভাবে?

এ ব্যাপারে বেসরকারী শিক্ষক কর্মচারী ফোরামের সভাপতি মো. সাইদুল হাসান বলেন একজন শিক্ষক দশ বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে একটি এবং ষোলো বছরের অভিজ্ঞতায় একটি সারা শিক্ষকতা জীবনে দুটো অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি স্বরূপ উচ্চতর স্কেল পাবেন এতোটুকু সম্মান দিতে কার্পণ্য কেন?

শিক্ষকতায় যোগদান থেকে শুরু করে অবসর সময় পর্যন্ত শিক্ষক হিসেবেই থাকবেন। নেই পদোন্নতি নেই অন্যান্য সুযোগ সুবিধা নেই। তবে শিক্ষকদের সারা জীবনে দুটো স্কেল দিতে এতো কৃচ্ছতা কেন?

তাছাড়া কৃষি,কম্পিউটার ও লাইব্রেরিয়ান শিক্ষকরা চাকরি জীবনে কয়টি স্কেল পাবেন একটি নাকি দুইটি কারন তারা তো চাকরির প্রথমে ১০ স্কেলে বেতন পেয়ে থাকেন

শিক্ষকদের মর্যাদাশীল করা হলে দেশ কী দেউলিয়া হয়ে যাবে?একজন শিক্ষকের বিএড থাকা আবশ্যক অর্থাৎ পে স্কেলে ১০ গ্রেড শিক্ষকদের প্রাথমিক স্কেল। যে সব মেধাবী শিক্ষকদের নিয়োগ কালীন বিএড ছিলনা তারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিএড প্রশিক্ষণ অর্জন করে ১০ গ্রেড পেয়েছেন। সেক্ষেত্রে বিএড স্কেল পরবর্তীতে দুটি উচ্চতর স্কেল পাবেন এতেও কার্পন্য কেন? নিয়োগ পরবর্তী শিক্ষকরা একটি মাত্র উচ্চতর স্কেল পাবেন এমন সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক। এতে শিক্ষকগণ বঞ্চিত হবেন এবং নতুন করে বৈষম্য সৃষ্টি করা হবে।

তাছাড়া কৃষি,কম্পিউটার ও লাইব্রেরিয়ান শিক্ষকরা চাকরি জীবনে কয়টি স্কেল পাবেন একটি নাকি দুইটি কারন তারা তো চাকরির প্রথমে ১০ স্কেলে বেতন পেয়ে থাকেন।

এরকম অনেক বৈষম্য নিয়ে বেসরকারী শিক্ষকরা চাকরি করছে,তাই সকল সমস্যার সমাধান জাতীয়করণ।