ইউনিভার্সিটি অব ব্রাহ্মণবাড়িয়া আরো দুইটি নতুন বিষয়ের অনুমোদন পেয়েছে।

প্রকাশিত: ৩:৩০ অপরাহ্ণ, জুন ২৬, ২০২০

 

মো.অাশরাফুল লতিফ(তুহিন),  ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে গৌরবের অার ঐতিহ্যের জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া।  এই জেলার উচ্চ শিক্ষার দ্বার আরো উন্মোচিত করার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ইউনিভার্সিটি অব ব্রাহ্মণবাড়িয়া। শিক্ষা মন্ত্রনালয়  অনুমোদিত এই প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে ফেকাল্টি অব আর্টস ও সোশাল সায়েন্সের অধীনে পাঠদানের অনুমুতি পায় বি এ (অনার্স) ইন ইংলিশ ও বি এস এস ( অনার্স) ইন সোশাল সায়েন্স এবং ফেকাল্টি অব বিজনেস এডমিনিশস্ট্রেশনের অধীনে পাঠদানের অনুমুতি পায় বিবিএ ও এম বি এ।

গত ২৫ জুন ইউ জি সি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে  ফেকাল্টি অব সায়েন্স,ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজির অধীনে অারো দুটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের পছন্দের শীর্ষে থাকা দুটি বিষয় — বি এস সি ইন ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং ( ট্রিপল ই) এবং বি এস সি ইন কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং( সি এস ই) বিষয়গুলোর  অনুমোদন প্রদান করে।

এই নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে  তিনটি অনুষদের অধীনে পাঁচটি বিষয়ে আন্ডার  গ্রেজুয়েশন ও একটি বিষয়ে গ্রেজুয়েশন করার সুযোগ তৈরি হল।

ইউনিভার্সিটি অব ব্রাহ্মণবাড়িয়া’র সার্বিক কার্যক্রম  নিয়ে ” দৈনিক আমাদের ফোরাম ” এর সাথে কথা হয় বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রেজারার ও সাবেক মহাপরিচালক মাউশি ( গ্রেড -১) প্রফেসর ফাহিমা খাতুনের সাথে।তিনি জানান,   “Education for social change ” এই স্লোগান নিয়ে যাত্রা করে ইউনিভার্সিটি অব ব্রাহ্মণবাড়িয়া।   এক সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছিল জ্ঞাণী ও গুণীজনদের পবিত্র ভূমি। কিন্তু বর্তমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া আগের ব্রাহ্মণবাড়িয়া এক নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি মনে করেন,আমাদের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে এবং সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া গড়তে  বিশ্বমানের শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে এবং এ লক্ষেই ইউনিভার্সিটি অব ব্রাহ্মণবাড়িয়া কাজ করে যাবে।”

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ” যদিও এটি একটি  প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, আমাদের এক ঝাঁক দক্ষ, মেধাবী এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির জ্ঞান সমৃদ্ধ নিবেদিত প্রাণ চৌকস  শিক্ষকের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হবে বলে বিশ্বমানের শিক্ষা আমরা নিশ্চিত করতে পারব বলে অামি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।”

উল্লেখ্য গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ খ্রিষ্টাব্দে বিশ্ববিদ্যালয়টির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী  ( নওফেল)  এবং সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া -৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রনালয়ের মাননীয় সভাপতি ও ইউনিভার্সিটি অব ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জনাব র. আ. ম. উবায়দুল মুকতাদির চৌধুরি এম পি।

বিশ্ববিদ্যালয়টি ‘র  ফল (fall) সেমিস্টারে সকল অনুষদে ভর্তি কার্যক্রম চলছে এবং  ১৫ জুলাই ২০২০ খ্রি. পর্যন্ত ভর্তির জন্য আবেদন করা যাবে । উল্লেখ্য যে, কোভিড – ১৯ এর কারণে ভর্তি এবং টিউশন ফি’র উপর ৩০% ছাড় প্রযোজ্য হবে।


Categories