“ইউএনও এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের বিশেষ ব্যবস্থায় বয়স্কভাতার কার্ড দেয়া হয় সেই সারেদাকে”

প্রকাশিত: ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২৮, ২০২০

মিয়া মোহাম্মদ এলাহি- সরাইল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

ইউএনও এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের বিশেষ ব্যবস্থায় বয়স্কভাতার কার্ড তুলে দেয়া হয় সেই সারেদাকে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার গোকর্ণ ইউনিয়নের নূরপুর গ্রামের বাসিন্দা শতবর্ষী সারেদা খাতুন আবশেষে বয়স্ক ভাতার কার্ড পেলেন। সোমবার দুপুরে নাসিরনগর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আবুল খায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ইউএনও নাজমা আশরাফী এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে বিশেষ ব্যবস্থায় তার হাতে ভাতার কার্ড তুলে দেয়া হয়।
স্থানীয়দের দাবি, সারেদার বয়স ৮৪ নয় হবে ১১৫। তবে জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার বয়স ৮৪ হলেও এতদিন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের অবহেলার কারণে ওই নারী শতবর্ষী সারেদা খাতুন বয়স্ক ভাতা বঞ্চিত হয়েছেন।

ইউএনও নাজমা আশরাফী বলেন, ‘শতবর্ষী নারী সারেদা খাতুন বয়স্ক ভাতা পান না এমন খবর পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পেরে তাকে ভাতার কার্ড দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি।’

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পরিত্যক্ত একটি ঘরে বাস করা ওই বৃদ্ধাকে দেখভাল করতেন তারই প্রতিবেশী হামিদা বেগম। চলতি মওসুমের বন্যার পানিতে তার বসত ঘরটা ভেঙে যাওয়ায় তিনি হামিদার ঘরে আশ্রয় নিয়েছেন। বার্ধক্যজনিত নানা রোগসহ চোখের দৃষ্টিশক্তি হারানো এই বৃদ্ধা অর্থাভাবে চিকিৎসা করতে পারছিলেন না।

প্রসঙ্গত, ৩০ বছর আগে মারা যাওয়া ওই উপজেলার গোকর্ণ ইউনিয়নের নূরপুর গ্রামের বাসিন্দা ছেনু মিয়ার স্ত্রী সারেদা খাতুনের ভাতা না পাওয়া নিয়ে গত ২২ আগষ্ট বিভিন্ন পত্রিকায় ‘‘চোখে দেখ্তে পান না বলে বয়স্কভাতার কার্ড মেলেনি বৃদ্ধার!- শিরোনামে  প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে থাকে। এরপর উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসলে তারা ২৪ ঘন্টার মধ্যে ওই নারীকে ইউএনও নাজমা আশরাফী এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে বিশেষ ব্যবস্থায় বয়স্ক ভাতার কার্ড  প্রদান করেন।উৎস-সমকালঅনলাইন।


Categories