আগামী ১ আগস্ট থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে রপ্তানিমুখী সকল শিল্প, কল-কারখানা খোলা থাকবে।

প্রকাশিত: ৭:৩৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ৩০, ২০২১

                 মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম

আগামী ১ আগস্ট থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে রপ্তানিমুখী সকল শিল্প, কল-কারখানা খোলা থাকবে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দ্রুত দেশের রপ্তানিখাতসহ সব উৎপাদনমুখী শিল্প-কারখানা খুলে দেওয়ার দাবি জানায় ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রিজ (এফবিসিসিআই)।

তারা বলেন, আন্তর্জাতিক বাজার হারানোর শঙ্কা, সাপ্লাই চেইন ভেঙে পড়া, বন্দরে জট, সার্বিক অর্থনীতিসহ সবকিছু বিবেচনা নিয়েই তারা এ অনুরোধ জানাতে বাধ্য হয়েছেন।

তারই প্রেক্ষিতে আগামী ১ আগস্ট (রোববার) থেকে গার্মেন্টসসহ রপ্তানিমুখী শিল্প-কারখানা স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা থাকবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। শুক্রবার (৩০ জুলাই) বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপ-সচিব মো. রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপ-সচিব মো. রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে চলমান বিধি-নিষেধের মধ্যে আগামী ১ আগস্ট থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে রপ্তানিমুখী সকল শিল্প ও কল-কারখানা খোলা থাকবে।

তিনি আরও বলেন- সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আগামী ১ আগস্ট তথা রোববার সকাল ৬টা থেকে দেশের সকল রপ্তানিমুখী শিল্প ও কলকারখানা চলমান বিধিনিষেধের আওতা বহির্ভূত রাখা হলো।

কারখানা খোলা রাখার সরকারি সিদ্ধান্তের পর বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, এখন শুধু রপ্তানিমুখী শিল্প কারখানাগুলোর রপ্তানি কার্যক্রম সীমিত পরিসরে চলবে।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে গত ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ১৪ দিনের জন্য কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। এই বিধি নিষেধের মধ্যে মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণসহ যানবাহন, দোকানপাট, শপিংমল এবং গার্মেন্টস ও শিল্প কারখানা বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে ঈদের পর থেকেই শিল্প-কারখানা খোলার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে আসছিলেন শিল্প-কারখানার মালিকরা। ওই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আজ গার্মেন্টসসহ রপ্তানিমুখী শিল্প-কারখানা স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলার সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।


Categories