“অসহায় পথশিশুদের মাঝে “ডাক্তারখানা”

প্রকাশিত: ৭:৫২ অপরাহ্ণ, জুলাই ১, ২০২০

 

করোনা দুর্যোগকালীন সময়ে “ডাক্তারখানা” ও ‘সোসাইটি অফ জেনারেল ফিজিসিয়ানস’ বিভিন্ন সময় দুস্থ মানুষের কাছে ত্রান বিতরন করেছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর শ্যামলীতে “ছায়াতল বাংলাদেশ” নামক সুবিধাবঞ্চিতদের স্কুলে এই ত্রান বিতরন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এই সময় অত্যন্ত আনন্দের সাথে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বাচ্চারা ত্রান গ্রহন করে। উক্ত ত্রান বিতরন অনুসঠানে “ডাক্তারখানা”র পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ডা. ইত্তেহাদ আমিন ফেরদৌস, ডা. জাফরিন সুলতানা সদস্য ‘সোসাইটি অফ জেনারেল ফিজিসিয়ানস’ এবং মডারেটর ‘জিপি প্রাকটিস গাইডলাইন গ্রুপ’, ডা. সাবেরা সাঈদা খান, জেনারেল ফিজিশিয়ান, ডাক্তারখানা-মোহাম্মদপুর শাখা এবং মডারেটর ‘জিপি প্রাকটিস গাইডলাইন গ্রুপ’। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ছায়াতল বাংলাদেশে এর প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক সোহেল রানা।

ডাক্তারখানার আভিধানিক নাম জেনারেল ফিজিশিয়ান সেন্টার বা জিপি সেন্টার। এটি চিকিৎসাবিদ্যায় স্ট্রাকচারাল রেফারেল পদ্ধতির প্রথম ধাপ। এ পদ্ধতিতে একটি নির্দিষ্ট ইউনিয়ন বা ওয়ার্ডের সব বাসিন্দা ওই এলাকার জেনারেল প্র্যাকটিস সেন্টারে একজন এমবিবিএস চিকিৎসকের কাছে প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়। এ সেন্টারে ওই এলাকার সব রোগীর তথ্য ও রোগের ইতিহাস থাকে। জটিল রোগের ক্ষেত্রে এই সেন্টারের চিকিৎসক রোগীকে নির্দিষ্ট বিশেষজ্ঞের কাছে রেফার করেন। উন্নত দেশগুলোতে প্রতিটি এলাকার মানুষের জন্য একটি জেনারেল ফিজিশিয়ান সেন্টার থাকে। সেই সেন্টার এ ওই এলাকার সকল মানুষের চিকিৎসা হয়। কেউ চাইলেই ওই জেনারেল ফিজিশিয়ান সেন্টার এর বাইরে চিকিৎসা নিতে পারেন না। ওই জেনারেল ফিজিশিয়ান সেন্টার এর চিকিৎসক যদি কোন রোগীকে রেফার করেন তবেই সেই রোগী বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখাতে পারেন।

‘সোসাইটি অব জেনারেল ফিজিশিয়ানস’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে স্বাস্থ্যসেবার মডেল বদলের এ কাজ করছেন কয়েকজন নিবেদিতপ্রাণ তরুণ চিকিৎসক। দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন ডা. রতীন্দ্র নাথ মণ্ডল, প্রতিষ্ঠাতা-ডাক্তারখানা। তিনি বলেন, যদি বাংলাদেশে প্রতি ২০ হাজার মানুষের জন্য একটি করে ডাক্তারখানার শাখা খোলা যায় তাহলে মাত্র ১৫-২০ ভাগ রোগীকে চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে হবে, জটিল রোগীরা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে পর্যাপ্ত সময় পাবেন এবং চিকিৎসা ব্যয় অনেক কমে যাবে, একটি সমন্বিত চিকিৎসা (রেফারেল সিস্টেম) ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।